ইসরায়েল বলেছে যে ইরান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে—এমন গোয়েন্দা তথ্য তারা সম্প্রতি ওয়াশিংটনকে জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে এই সতর্কবার্তাটি প্রকাশ্যে আসেনি। তবে ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্কের আঙ্কারা থেকে ফেরার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন তার নতুন সরকারি বিমানের বদলে পুরনো বিমানেই উঠেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্য প্রদানের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, ওয়াশিংটনে আগেই গোয়েন্দা তথ্যের ধারাবাহিক প্রবাহ রয়েছে; তবু ইসরায়েল থেকে যে সতর্কবার্তাটি এসেছে সেটি ‘‘চিল নতুন’’ এবং ‘‘একটি সুনির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র’’ সংক্রান্ত।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইসরায়েলের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যে নতুন ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
পটভূমি হিসেবে বলা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৬ সালে নির্বাচিত হয়ে ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দফতরে যোগ দিয়েছিলেন। তার সরকারের সময়—২০২০ সালের জানুয়ারিতে—ইরানের কূটনৈতিক ও সামরিক ব্যাখ্যায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে একটি মার্কিন ড্রোন আঘাতে হত্যা করা হয়েছিল; ওই ঘটনার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানিয়েছিল।
এই ইসরায়েলি সতর্কবার্তা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এএফপি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, হোয়াইট হাউস সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছে এবং ন্যাটো সম্মেলন থেকে ফেরার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, “তারা (ইরান) যুক্তরাষ্ট্রের নেতা হিসেবে আমাকে হত্যা করতে চায়। আমি তাদের হিটলিস্টে আছি। আজ সকালে তালিকাটি আমি পেয়েছি এবং দেখলাম, সেখানে সবার ওপরে আমার নাম লেখা।”
বিষয়টি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত সুত্র: এএফপি, গালফ নিউজ।