আটলান্টায় শেষ-১৬ থেকে বিদায় নিয়েছে মিসর। ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩–২ হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে আফ্রিকান দলটির। পড়ন্ত সময়ে ম্যাচটা বদলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাচের রেফারিংকে মূলত দায়ী করেছেন মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তিনি এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে আগিয়ে রাখার চেষ্টা থাকতে পারে—এটিও হয়তো বিপণনের অংশ।
ম্যাচ শেষে হোসাম বলেন, “আমার একটা গোল বাতিল করা হয়েছে, কেন তা আমি জানি না। এটা ন্যায্য হয়নি। মনে হয় টুর্নামেন্টে মেসিকে এগিয়ে রাখার একটা ইচ্ছা আছে; এখানে বিপণনেরও একটা ভূমিকা রয়েছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে রেফারির সিদ্ধান্তে মিসর জাতীয় দলের সাথে অন্যায় হয়েছে এবং ন্যায়বিচার মেলেনি।
তবে কোচ একই সঙ্গে তার খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে ভোলেননি। তিনি বললেন, “আমাদের খেলোয়াড়রা অবিশ্বাস্য পরিশ্রম করেছে—তাদের ধন্যবাদ। আমরা সমর্থকদের আলোর মুখ দেখাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ফুটবলের বাইরেও কিছু বিষয় ছিল যা ফলাফলকে প্রভাবিত করেছে।” তিনি মিসর ও আরব বিশ্বের সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং দলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে বলেও জানান।
ম্যাচের খুঁটিনাটি ঘটনা—১৫তম মিনিটে ইয়াসির ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে যায় মিসর। ৬৭ মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোলে ব্যবধান বাড়ে ২–০। কিন্তু ম্যাচের শেষ প্রান্তে আর্জেন্টিনা তিনটি গুরুত্বপূর্ন গোল করে ফিরে আসে; ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনসো ফের্নান্দেসের গোলে আর্জেন্টিনা ৩–২ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায়। সেই উল্টোপথেই মিসরের টুর্নামেন্টের সাঙ্গতি ঘটে।
হোসামের কথায়, “আমি হার পছন্দ করি না, কিন্তু এই হার শুধু মাঠের পারফরম্যান্সের কারণ নয়—অন্য কিছু প্রভাবও আছে।” তিনি সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতে মিসর আরও বড় মঞ্চে শক্তভাবে উপস্থিত থাকবে।