1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আইরিন খান হলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল’ উত্থাপন, কমিটিকে তিন কার্যদিবসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ ডেল্টাগ্রাম জরিপ: ৭৫.৩% মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাজকে সন্তোষজনক মনে করছেন দেশের আদালতে ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৭৬টি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী বন্যার কারণে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির ৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত আইনমন্ত্রী জানালেন—আদালতে বিচারাধীন ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৭৬টি মামলা প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আকস্মিকভাবে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন দেশের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দুটি দেশে ৮৫ স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা আবারও তীব্র হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে একটি জাহাজে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌকর্মী বিটিপর হামলায় উত্তেজনা বাড়ায়—তার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে একযোগে ব্যাপক অভিযান চালায় ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বুধবার (৮ জুলাই) জানায়, ইরানের নবায়িত প্রতিরোধ তীব্রতায় এই হামলা করা হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) প্রকাশ্যে জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আঘাতগুলোতে “গুরুত্বপূর্ণ” মার্কিন সামরিক স্থাপনা নিশানায় ছিল বলে তারা দাবি করেছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে। তবে এসব হামলার বর্তমান পরিস্থিতি বা উপরোক্ত স্থাপনার ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য Al Jazeera বা অন্য স্বাধীন সূত্রে যাচাই করা যায়নি।

সূত্রে বলা হয়েছে, ইরানের এই প্রতিশোধী অভিযান তৎপর হয়েছে, কারণ এর আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র হরমোজগান এবং মাহশাহরের উপকূলীয় অঞ্চলে ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। তা ইরানের দাবি অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি ও ‘ইসলামাবাদ’ চুক্তি লঙ্ঘন ছিল।

আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন হামলাগুলো ইরানের সাবেক শীর্ষ নেতার দাফনসহ সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ওয়াশিংটন সে ঐতিহ্যকে হালকা বা ম্লান করতে চাচ্ছে—এমনটা মেনে নেওয়া হবে না।

একই সঙ্গে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর কঠোর ভাষায় বলেছে, ‘আমেরিকান সন্ত্রাসবাদের’ কোনো জবাব ছাড়া ছাড় দেওয়া হবে না এবং এই নৌপথে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারদের জন্য একমাত্র নিরাপদ পথ হলো ইসলামী প্রজাতন্ত্র কর্তৃক নির্ধারিত পথ।

আইআরজিসি আরও বলেছে, এই হামলা গত মাসে স্বাক্ষরীত সমঝোতা স্মারকের অধীনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতি ‘সম্পূর্ণ অবজ্ঞা’ প্রকাশ করে বলে তারা মনে করে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্য গতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন সূত্র থেকে আরও নিশ্চিত তথ্যয়ের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo