1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

লস অ্যাঞ্জেলেসে ৩-০; অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

প্রথমে ধৈর্য, তারপর আধিপত্য, শেষে উদযাপন — এমনই ছিল স্পেনের জয়গাথা। লস অ্যাঞ্জেলেসে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় যাওয়া। জোড়া গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল, আর এক গোল করে দলের জন্য নতুন ইতিহাস رقم করলেন পেদ্রো পোরো।

ম্যাচের শুরুতে অস্ট্রিয়া কিছুটা আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখালেও তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। নিয়ন্ত্রিত বল চলাচল ও মাঝমাঠে ঘনিষ্ঠ পাসিংয়ে ধীরে ধীরে বড় ছবি আঁকার কাজটা নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় স্পেন—পেদ্রি, রদ্রি ও দানি ওলমোর ছোট ছোট পাসগুলো ম্যাচের সুর বদলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২৯ মিনিটে কর্ণারে কুকুরেয়ার করা বল জালে গিয়ে খুশির মুহূর্ত তৈরি করলে সেটা ফাউলের অভিযোগে বাতিল হয়; সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক থাকলেও স্পেনের আক্রমণ ঝরঝরে থামেনি। অবশেষে ৩৬ মিনিটে বাঁপ্রান্ত থেকে কুকুরেয়ার নিচু ক্রস এক ছোঁয়ায় জালে পাঠান মিকেল ওইয়ারসাবাল এবং বিরতির আগে স্পেন এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধ শেষে আলেক্স বায়েনার ফ্রি-কিক ক্রস বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসার পর লামিনে ইয়ামালের শট দুর্দান্তভাবে আটকে দেন আলেক্সান্ডার শ্লাগার—এমনকি সেটাও অস্ট্রিয়ার জন্য প্রথমার্ধের বড় সংবাদ বানতে পারে ছিল না; তারা মাত্র একটি গোলে পিছিয়ে ছিল।

বিরতির পর স্পেন আরও ধারালো এবং নিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে। বলের আধিপত্য ধরে রাখতেই তারা প্রতিপক্ষকে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটিয়েছে, আর সেই ধারাবাহিক খেলায় গোলরক্ষক উনাই সিমন দলকে নতুন রক্ষণাত্মক সাফল্য এনে দেন—বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে ধারাবাহিকভাবে বেশি সময় পর্যন্ত গোল না খাওয়ার রেকর্ড গড়ে তিনি ইকার কাসিয়াসের রেকর্ড ভাঙেন।

৬৬ মিনিটে আবারও বাঁপ্রান্ত থেকেই এসেছিল দ্বিতীয় গোল। বায়েনার দারুণ ক্রসে পিছন থেকে উঠে জোরালো হেডে জাল কাঁপান পেদ্রো পোরো; এটি ছিল তার স্পেন জার্সিতে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।

তবু স্পেনের ক্ষুধা এখানেই শান্ত হল না। ৮৯ মিনিটে কুকুরেয়ার অসাধারণ থ্রু পাসে একা হয়ে পড়েন ওইয়ারসাবাল; গোলরক্ষকের সামনে কোনো ভুল না করে তিনি নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি নিশ্চিত করেন। এই গোলের সঙ্গে বিশ্বকাপে ওইয়ারসাবালের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় চার—এতে তিনি ডেভিড ভিয়ার ২০১০ সালের পাঁচ গোলের পর প্রথম স্প্যানিশ খেলোয়াড় হিসেবে এক আসরে চার গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। পাশাপাশি এটি তার জাতীয় দলের শেষ ১৫ ম্যাচে ১৬তম গোল হিসেবেও যোগ হলো।

শেষ সাইরেন বাজতেই স্পেনের খেলোয়াড়রা উৎসবে মেতেছিল—ম্যাচ জুড়ে বল দখল, সুযোগ সৃষ্টি, আক্রমণের বৈচিত্র্য ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ সবাইকেই ছাপিয়ে গেছে। এই জয়ের সঙ্গে শিরোপার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হলো এবং প্রতিপক্ষের জন্য স্পেন ক্রমেই আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo