1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

রাজস্থানে দিল্লি–মুম্বাই মহাসড়কে শয়নবাসে আগুন: নিহত ৭, আহত ২২

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের দৌসা এলাকায় দিল্লি–মুম্বাই মহাসড়কে একটি শয়নবাসে ভয়াবহ আগুন লেগে অন্তত ৭ জন নিহত ও ২২ জন আহত হয়েছেন। বার্তারা প্রকাশ করেছে যে অকালটিকিটি মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটায় ঘটেছে।

বাসটি উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর যাচ্ছিল। দৌসার কাছে高速গতিতে চালানোর সময় এটি একটি বড় পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের পর মুহূর্তের মধ্যে বাস ও ট্রাকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

যাত্রীদের দৌড়ঝাঁপ এবং জানালা ভাঙার চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতায় অনেকে আটকা পড়ে যান। ঘটনাস্থলীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ নিহতই তখন শোয়া অবস্থায় ছিলেন। স্থানীয়রা প্রথমিকভাবে নিজেরাই উদ্ধারকাজ শুরু করেন; পরে দমকল ও উদ্ধারকারী দল পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে কাছবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী সূত্রে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন দগ্ধ হয়ে মারা যান। বাকি দুইজনের মৃত্যু হয়েছে মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে—ঊর্ধ্বতন শয্যায় থাকা যাত্রীদের নিচে ছিটকে পড়েই এমন আঘাত হয় বলে মনে করা হচ্ছে। আহত ২২ জনকে দ্রুত দৌসা জেলা হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে; চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নারী ও শিশুকে বিশেষভাবে সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ বলেছে, বাস চালক সম্ভবত তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলেন কিংবা বাস অতিরিক্ত গতিতে চলছিল—এই দুই দিকেই নজর রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাসটির প্রযুক্তিগত অবস্থা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ও দমকল পৌঁছাতে দেরি হয়েছে। তাদের দাবি, সময়মতো সঁচল হলে আরও কিছু প্রাণ রক্ষা করা যেত। আরও অভিযোগ করা হয়, বাসের মালামাল রাখার অংশে প্রচুর সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যেগুলো দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সহায়ক হয়েছে—তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনও আসেনি।

রাজস্থান প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে।

এই দুর্ঘটনা দেশের রাজ্যগুলোর মধ্যে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে পুনরায় উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত গতি, চালকদের দীর্ঘ সময় ধরে বিরতিহীন ড্রাইভিং এবং অগ্নি-নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে। দৌসার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ওইসব সমস্যার জরুরি সমাধান দাবিও জোরালো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo