1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক পূর্বাচলে ৪ থানা, ৬ তদন্তকেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ৩৮ জেলায় আইসিইউ নেই, গ্রামীণরা চিকিৎসা বঞ্চিত: ডা. জুবাইদা রহমান ৪ বছরে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার বেশি সংসদে সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) বিল পাস, এআই কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ বাধ্যতামূলক সংসদে পাস ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’—১৮৬৭ সালের নিম্নগামী আইন বাতিল ৪ বছরে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা এজলাসে আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে শাসালেন ইনু: ‘এই হাত ধরবেন না, ভদ্রতা শিখুন’ বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্তের প্রস্তাব: নতুন তিন উপজেলা ও এক থানা গঠন নিয়ে নিকার বৈঠক

দৌসায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষের পরে শয়নবাসে আগুন, নিহত ৭—আহত ২২

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

রাজস্থানের দৌসা জেলায় দিল্লি-মুম্বাই মহাসড়কে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি শয়নবাসে আগুন লেগে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ঘটে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঋষিকেশ থেকে ইন্দোরের উদ্দেশে যাওয়া ওই বাসটি দৌসার কাছে উচ্চগতিতে চলাকালীন একটি বড় পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রাকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

দুর্ঘটনার সময় বহুলাংশে যাত্রীরা ঘুমিয়ে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীরা জানালা ভাঙা ও দরজা খুলে প্রাণ বাঁচাতে চেষ্টায় লিপ্ত হন। তীব্র শিখায় অনেকেই বাসের ভেতরেই আটকা পড়ে গিয়ে প্রাণ হারান।

স্থানীয়রা প্রথম দিকেই নিজেদের উদ্যোগে উদ্ধারকাজ শুরু করেন এবং পরে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দৌসা জেলা হাসপাতালে আহতদের মধ্যে অনেকে ভর্তি করানো হয়েছে; চিকিৎসকরা বলেছেন, কয়েকজনের অবস্থা এখনও সঙ্কটাপন্ন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন এবং দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় ওই বাসের ওপরের শয্যায় থাকা কয়েকজন নিচে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

জানান্তর ও আহত শনাক্ত করে তাদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। রাজস্থান প্রশাসন জানিয়েছে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বাসচালকের তন্দ্রাচ্ছন্নতা বা অতিরিক্ত গতি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে; বাসটির প্রযুক্তিগত অবস্থা সম্পর্কেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, উদ্ধারকর্মী এবং দমকল সদস্যদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় আরও কিছু প্রাণ রক্ষা করা যেত। তাঁদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে থাকা যাত্রীদের বের করা সম্ভব হয়েছে। কিছু স্থানীয়র কথায় বাসের মালামাল রাখার অংশে প্রচুর সিগারেটের প্যাকেট থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করেছে; বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য হয়নি।

রাজ্য প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করেছে এবং নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। একের পর এক দুর্ঘটনা দেশজুড়ে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে আবারও উদ্বেগ বাড়িয়েছে—বিশেষ করে দূরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত গতি, চালকের দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানো এবং অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছিল। দৌসার এই দুর্ঘটনা সেই উদ্বেগ আরও তীব্র করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo