1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

চট্টগ্রামে ব্যাটিং ধস, অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭ উইকেটে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

মিরপুরে অনলাইন সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই চট্টগ্রামে নামেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভেন্যু বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল স্বাগতিকদের ফর্মও। আগের দুই ম্যাচে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পরে আজকের ম্যাচ ছিল অন্তত মর্যাদা বাঁচানোর লড়াই। সেই প্রতিযোগিতাও জিততে পারেনি টাইগাররা—অস্ট্রেলিয়া ১১ ওভারে ৩ উইকেটে জিতেছে, ৫৪ বল ফেলে রেখে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ করেছে।

আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১০৯ রান। দলের একমাত্র অর্থবহ ইনিংস হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস (৫১ বল)। বাকিরা ম্লান ছিলেন—শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে কার্যত ধাক্কা খেয়েছিল লাল-সবুজ দল।

খেলায় দ্রুত গতিবিধি হারিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ডট-ডট করে এগুতে থাকেন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে দুই উইকেট হারানো—সাইফ হাসানের ও তামিম ইকবালের বিদায়—টিকে থাকা কঠিন করে দিয়েছে। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন, নুরুল হাসান সোহান ও শামীম পাটোয়ারীর মতো ব্যাটাররা আক্রমণী ছন্দে ফিরতে পারেননি এবং কড়া চাপের মধ্যে ছোট ছোট ঝুঁকি নেওয়ায় উইকেট হারাতে থাকেন। পাওয়ার প্লেতে ডট বলের ধাক্কা খেলেন তিনিও; ইমন ১৩ বলে মাত্র এক রান করে ব্যর্থ হন, আর সোহান ৮ বল করে ৬ করে ফিরেন।

তবে মাঝের অংশে হৃদয়-রিশাদ জুটি কিছুটা ভরসা লেলেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। রিশাদ হোসেন ১৪ বল খেলে ১৬ করে আউট হন। বাকি শেষ ওভারগুলোতে শরিফুল, তাসকিনের মতো খেলোয়াড়ের সঙ্গে মিলে হৃদয় দলকে ১০৯ পর্যন্ত নিয়ে যান এবং লজ্জাজনক রেকর্ড থেকে মুক্তি দেয়ার কাজটি করলেন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিক্রিয়া শুরু হয় ঝড়ের মতো। চট্টগ্রামে প্রথম ওভারেই শরিফুলের ওভারে ৪ বাউন্ডারিসহ ১৭ রান করে তারা আক্রমণী সূচনা নেয়। হিটিং করেছেন বিশেষ করে মিচেল মার্শ—২৮ বলে বজ্রগতিতে ৬০ রান করে তিনি একাই ম্যাচটি লড়াই করে শেষ করেন। দ্রুতগতির ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য তাড়া করে মাঠ ছাড়েন, ফলে টাইগাররা হোয়াইটওয়াশের শিকার হন।

বাংলাদেশের হয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং বন্ধ করা গেল না; কিন্তু বল হাতে সেভাবে কোনো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি করে উইকেট শিকার করেছেন শরিফুল, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। আর অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে স্পেনসার জনসন ৪ ওভারে ৬ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন। নাথান এলিস ও (রিপোর্টে যাকে দাবি করা হয়েছে) অ্যাডাম জাম্পা দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন এবং নিখিল চৌধুরীও একটি উইকেট পেয়েছেন।

খেলার শেষে কোচ ও খেলোয়াড়দের সামনে ভাবনার জায়গা অনেক—বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক ব্যাটিং ব্যর্থতা দারুণভাবে বোঝা দিয়েছে যে ছন্দ ফিরাতে দলকে দ্রুত পরিকল্পনা বদলাতে হবে। বিপক্ষ অবশ্য ধারাবাহিকতাই দেখিয়েছে; চট্টগ্রামে সেই ধারাবাহিকতাই জয় এনে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo