হোয়াইটওয়াশ এড়াতে টসে জিতে ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। একাদশে তিন পরিবর্তন করা হয়েছে — সাকলাইন ও মোস্তাফিজের জায়গায় দলে ফিরেছেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম, আর সৌম্য সরকারের বদলে জায়গা পেয়েছেন নুরুল হাসান সোহান।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতলেও টি-টোয়েন্টি ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেনি বাংলাদেশ। সিরিজে এখনও এক ম্যাচ বাকি থাকলেও টাইগাররা কুড়ি ওভারের সিরিজ হারিয়েছে; তাই হোয়াইটওয়াশ এড়াতে আজ জেতাই একমাত্র বিকল্প।
টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ম্যাচ ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেরেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে যদিও টাইগাররা ১৮৯ রান করে লড়ে গিয়েছিল, তবু সেটা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয়বারের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হারা — শেষবার এমনটি হয়েছিল ২০২১ সালে মিরপুরে, যখন বাংলাদেশ ৪-১ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল।
চট্টগ্রামের মাটিতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল রানের মেলা। আগে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করে ১৯৬ রান; জবাবে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮৯। দুই ইনিংস মিলিয়ে দুই দলের মোট রান হয়েছে ৩৮৫, যা সাগরিকার মাঠে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ — এর আগে ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে ৩৮৯ রান হয়েছিল।
রানবন্য ম্যাচের পর আজও তাওহীদ হৃদয়ের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ তোলে ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ রোধের চেষ্টা করবে। শেষ পর্যন্ত টাইগাররা কোথায় থামে, সেটাই দেখার বিষয়।
বাংলাদেশ একাদশ:
সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, নাসুম আহমেদ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, (অনুপস্থিত কোনো নাম থাকলে স্থানীয় ঘোষণার ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হবে)।