1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

২২ লাখ শিক্ষার্থীর গোল্ডকাপে বাকেরগঞ্জ ছেলে ও সাঁথিয়ার মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

দেশের বৃহত্তম প্রাথমিক ক্রীড়া উৎসব প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলে (বালক-বালিকা) বার্ষিক মহারণে বরিশালের বাকেরগঞ্জের ছেলেরা ও পাবনার সাঁথিয়ার মেয়েরা সেরাদের কাছে শিরোপা কেড়ে নিল।

শনিবার বিকেলে ঢাকার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছেলেরা ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বালক দলের ফাইনাল ম্যাচটি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শুরু হয়ে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে শেষ হয়।

বালিকা বিভাগের ফাইনালে পাবনার সাঁথিয়ার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়েরা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-২ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জিতে নেয়। বালিকা ফাইনালটি বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে শেষ হয়।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে দেশের ফুটবল উত্তেজনার মধ্যেই এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচগুলো সরাসরি উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; পরে তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন টুর্নামেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, ৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই বৃহৎ প্রতিযোগিতায় দেশজুড়ে ৬৫,৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১ লাখের বেশি ছেলে ও ১১ লাখের বেশি মেয়ে অংশ নিয়েছে — মোট মিলিয়ে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

মাহদী আমিন বলেন, গ্রাম থেকে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে টিকে থাকা সেরা দলগুলো ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে খেলেছে। তৃণমূল থেকে ফুটবল প্রতিভা আবিষ্কার করার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাওয়া হবে এবং পরবর্তী আসরে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত ৫০ লাখ শিক্ষার্থী নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

ফাইনালের উত্তেজনা, শিশুশিল্পীদের খেলার মনোযোগ এবং পুরস্কার বিতরণ থেকে স্পষ্ট যে দেশের প্রাথমিক পর্যায়ে ফুটবলের সম্ভাবনা অনেক বড়—এবারকার সাফল্য সেই সম্ভাবনাকেই আরও উজ্জ্বল করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo