লিওনেল মেসির প্রতিটি গোলেই বিশ্বের নানা প্রান্তে উল্লাস দেখা গেছে — حتی কানসাস সিটির গ্যালারিতেও। সেই উচ্ছ্বাসের রেশ এবার বাংলাদেশেও ছড়িয়েছে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গোলের পর দেশজুড়ে অবাধ উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে, যা আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমগুলোরও নজর কাড়েছে।
ফুটবল বিশ্বকাপের সময়ে বাংলাদেশের দর্শকরা সাধারণত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা গ্রুপে ভাগ হয়ে আনন্দ-দুঃখ ভাগাভাগি করে থাকেন। প্রিয় দলের হারলে হতাশা, জিতলে উৎসব—এটাই নিয়ম। আলজেরিয়া ম্যাচে দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় পর্দায় সমাবেশ করে ম্যাচ দেখা হয়; প্রতিটি গোলে দর্শকেরা জুড়ে দিয়েছেন দাপটভরা উৎসব। কেউ ভুভুজেলা বাজাচ্ছেন, কেউ নাচছেন, কেউ স্লোগান, কেউ আনন্দের রোল করে ফেলছেন—সব মিলিয়ে এক বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
এই দৃশ্যের কয়েকটি ভিডিও আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া টিওয়াইসি স্পোর্টস ও ডায়রিও ওলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে। টিওয়াইসি স্পোর্টস তাদের এক্স (পূর্বে টুইটার) হ্যান্ডলে লিখেছে, ‘মেসির একটি গোলের পর বাংলাদেশে এভাবেই উদযাপন করা হয়েছিল।’ ডায়রিও ওলে ফেসবুকে ওই ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে জানিয়েছে, ‘এভাবেই বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করা হয়েছিল।’
অন্যদিকে, ম্যাচটিই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—মেসি আজ আলজেরিয়ার বিপক্ষে পুরো প্রতিযোগিতার নজর ক Epidemi তুলে নেন। এই ম্যাচে তিনি বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকটি করে নেন এবং এতে করে মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে মিলিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬টি গোলের রেকর্ড তিনি ভাগাভাগি করলেন।
অভূতপূর্বভাবে ৩৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তিও গড়েছেন মেসি। আগের রেকর্ডটি ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর—রোনালদো ২০১৮ সালের ১৫ জুন স্পেনের বিরুদ্ধে ৩৩ বছর ১২২ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করেছিলেন।
বাংলাদেশের মাঠের উচ্ছ্বাস থেকে শুরু করে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমে তা প্রদর্শিত হওয়া—সবই ফুটবলের সম্মিলিত আবেগ ও জাতীয়তার শক্তির জীবনচিত্র। ম্যাচ ও মেসির কীর্তি মিলিয়ে এই বিশ্বকাপের চেষ্টা ও উদযাপনের মুহূর্তগুলো এখনও অনেক জায়গায় আলোড়ন সৃষ্টি করছে।