1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাঈমকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের সোর্স সোহেলকে আটক, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন: ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, রেফার্ড রোগীদের দেখভালে ৬টি হাসপাতালে নির্দেশ রামপুরায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান ওরফে ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ অর্থমন্ত্রী: ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড — বাছাই হবে নিরপেক্ষভাবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ: ৮০% পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত দুই বছরে দেশের ৯০% জনগোষ্ঠীর কাছে ৫জি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা যশোরসহ চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হবে জলবায়ু রোধে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল খনন ও পুনঃখনন করবে সরকার যশোরসহ চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হবে

মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ারসেরা ৮৬*, বাংলাদেশ সংগ্রহ ২৮৪/৮

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি স্মরণীয় করে দিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মিরপুরে টস হারিয়ে ব্যাট করতে নেমে দলের বিপদের মুহূর্তে নিজেকে তুলে নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে থিতু করে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। নির্ধারিত ৫০ ওভারের শেষে টাইগাররা সংগ্রহ করেছে লড়াকু ২৮৪ রান, হারিয়েছে ৮ উইকেট।

শুরুটা কোনোভাবেই রোমাঞ্চকর ছিল না। মাত্র ৫ রানে ফিরে যান ওপেনার সাইফ হাসান। এরপর তানজিদ তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত জুটি গড়ে দলের ঘাড়ে দায়ী স্থির করেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে ৯১ বল মোকাবেলায় ৯৬ রান করে পাল্টা আক্রমণ চালান। তানজিদ ৫৪ রানে ফিরে গেলেও শান্ত তার ব্যাটে কাঁধ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যান।

চারের দায়িত্বে নামে লিটন দাস, কিন্তু তিনি বড় ইনিংস গড়ার আগেই মাত্র ৭ রানে ব্যাট থেকে বিদায় নেন। শান্ত তখন নিজের অভিজ্ঞান বানিয়েছেন—ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন—তবু ৬৭ রান করে শেষ পর্যন্ত আর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি।

এরপর হঠাৎ করে চার উইকেট হারিয়ে টাইগারদের ইনিংস কষ্টে পড়তে থাকে। সেই সংকটে সামনে এসেছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক। চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে এসেই মোসাদ্দেকের আগ্রাসী ব্যাটিং দলের জন্য নির্ধারণী হয়ে ওঠে; হৃদয়ের সঙ্গে মিলে তারা গড়েন ৭৫ রানের সংযোজক জুটি।

খেলায় ছিল বৈপরীত্য—মোসাদ্দেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক, হৃদয় ছিলেন ধীর ও সংরক্ষণশীল। হৃদয় খেলেছেন ৫১ বল ও করেছেন ৩১ রান। পরের ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানভীর ইসলাম যথেষ্ট অবদান রাখতে পারেননি, তাই ইনিংস বড় করার ভার অনেকটাই মোসাদ্দেকের কাঁধে রইল।

মিডলঅর্ডারের এককালীন ব্যর্থতায় একাই লড়াই করতে দেখা গেছে মোসাদ্দেককে। নিজের চতুর্থ ওয়ানডে ফিফটির দিনে তিনি খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস—৭০ বল খেলে অপরাজিত ৮৬ রান। এর আগে ওয়ানডেতে তার সর্বোচ্চ ছিল মাত্র ৫২ রান।

লোয়ার অর্ডারে নামা তাসকিন আহমেদও কার্যকর সঙ্গ দিয়েছেন—শেষ বল পর্যন্ত খেলে ১৬ বলেই করেছেন ২০ রান। তাদের কঠিন শেষে টপ-অর্ডার ও লোয়ার-অর্ডারের এই দৃঢ়তায় টাইগাররা শেষ করেছে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নাথান এলিস তিনটি উইকেট শিকার করেছেন; এছাড়া ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট দুজন করে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন এবং ব্রাটলেট একটি উইকেট নেন।

মোসাদ্দেকের এই ইনিংস টাইগারদের জন্য আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে; এখন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং মোকাবেলায় এই সংগ্রহ কতটা যথেষ্ট হবে, সেটাই নজর কাড়বে ম্যাচের পরবর্তী পর্যায়ে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo