1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নোয়াব ঘোষণা: ঈদুল আজহায় সংবাদপত্রে পাঁচ দিনের ছুটি মিটিং শেষে পাটওয়ারী গালিগালাজ করলেও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি মিটিং শেষেই গালাগালি করেছেন পাটওয়ারী, তবুও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে; ঈদুল আজহা ২৮ মে মুগদা মান্ডা থেকে ৮ টুকরো মরদেহ উদ্ধার, র‌্যাব জানায় নিহত সৌদি প্রবাসী মুকাররম প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমান অংশ নেন মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় আইভীর জামিন বহাল; কারামুক্তির পথে আর আইনগত বাধা নেই হাইকোর্টের জামিন বহাল: আইভীর কারামুক্তিতে আর আইনি বাধা নেই প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ৩৯০ করে অলআউট, পাকিস্তানকে জিততে হবে বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

টপ অর্ডার ব্যর্থতা থাকা সত্ত্বেও লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও বোলারদের অবদানে প্রথম ইনিংসে সুবিধা নিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে টাইগাররা চোখে পড়ার মতো ব্যাটিং করে; বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম ছিলেন দুর্দান্ত। মুশফিকের রেকর্ডভাঙা সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ গড়েছে স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয় ইনিংসে সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছে ৩৯০ রান। সবমিলিয়ে তারা পেয়েছে ৪৩৬ রানের বড় লিড, ফলে পাকিস্তানকে ম্যাচ জিততে হলে লড়াই করতে হবে ইতিহাস ভাঙার মতো: তাদের দরকার হবে অন্তত ৪৩৭ রানের সফল লক্ষ্যপালন, যা টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সফল চেজ ৪১৮ রানের রেকর্ড ভেঙে ফেলতে হবে (ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে)।

তৃতীয় দিন শুরুতে বাংলাদেশ ১৫৬ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিং করতে নামে। আগের দিন মুমিনুল হক মাঠ ছাড়ার পর ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত; তিনি ক্রিজে থাকতেই মুশফিকুর রহিম নামেন। দিনের পঞ্চম ওভারে শান্ত খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন—৪৬ বলে ১৫ রানে আউট হন তিনি। রিভিউ নিয়েও সিদ্ধান্ত বদলানো যায়নি।

ক্রিজে এসে লিটন দাস মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি গড়ে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। দুজনে মিলে ৮৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন এবং লাঞ্চের আগে দলের লিড ২৪৯ রান হয়ে যায়।

লাঞ্চের পরের সেশনে লিটন দ্রুত ২০তম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন। দ্বিতীয় সেশনে নামার প্রথম বলেই অর্ধশতক স্পর্শ করা এই ডানহাতি ব্যাটার ইনিংসের শেষে ৬৯ রান করে ফিরেন। মেহেদি মিরাজও কিছুক্ষণ কৌশলী ব্যাটিং করলেও বড় ইনিংস করতে পারেননি; তিনি করেন ৩৯ বলে ১৯ রান।

মিডল অর্ডারে অধিবাসী মুশফিকুর রহিম ছিলেন ম্যাচের আসল নায়ক। দীর্ঘ ধৈর্য ধরে খেলেন তিনি — ২৩৩ বল খেলে ৯ চারে ও ১ ছক্কায় ১৩৭ রান করে টেস্টে তার ১৪তম সেঞ্চুরি পূরণ করেন। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে থেকেও লাল বলের ক্রিকেটে মুশফিকের অফার্যযোগ্য ফর্ম অব্যাহত আছে; সিরিজ জুড়ে তার ব্যাটেই গুরুত্বপূর্ণ রান এসেছে।

শেষ রাস্তায় মুশফিককে সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম, তিনি ৫১ বলে ২২ রান করেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ১৩ বলে ৬ ও শরিফুল ইসলাম ১৫ বলে ১২ রান যোগ করেন। সবশেষে বাংলাদেশ সব উইকেট হারিয়ে ইনিংস শেষ করে—এর ফলে ম্যাচে দুরত্ব এতটা বেশি যে পাকিস্তানকে জিততে হলে ইতিহাস বদলাতে হবে।

এখন দেখার বিষয় পাকিস্তান শুরু করে কীভাবে এই বিশাল লক্ষ্য নিয়ে মোকাবিলা করে; টেস্টের এই পর্যায়ে ফলাফল রাফাল পরিবর্তনশীল থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে জয় পেতে তাদের প্রয়োজন এক অসাধারণ পারফরম্যান্স—একটি বিশ্বরেকর্ড যুগান্তকারী চেজ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo