1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

ফাইনাল টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া: একটির শেডা প্রায় ২৫.৬ কোটি টাকা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

কয়েক দিনের মধ্যেই মাঠে গড়াবে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬—তাই উন্মাদনায় কেঁপে উঠেছে ভক্তেরা। তবে ফাইনাল ম্যাচের কিছু টিকিটের দাম শুনে চোখ কপালে ওঠার মতো: আগামী ১৯ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামের গোলপোস্টের ঠিক পেছনের ‘ক্যাটাগরি-১’ আসনের একটি টিকিট পুনর্বিক্রয়ে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ২,২৯৯,৯৯৮.৮৫ মার্কিন ডলারে—বাংলা টাকায় প্রায় ২৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। একই ক্যাটাগরির চারটি আসন একসঙ্গে পেতে কয়েক বন্ধু মিলালেও খরচ দাঁড়াবে ১০০ কোটি টাকারও বেশি।

রোববার প্রকাশিত তালিকায় আরও একটি টিকিট দেখা গেছে একই দামে (২,২৯৯,৯৯৮.৮৫ ডলার); তবে সেটি ‘ক্যাটাগরি-৩’-এর, যা স্টেডিয়ামের ওপরের ডেকে গোলপোস্টের পেছনে অবস্থিত। বিপরীতে, ক্যাটাগরি-১-এর ওই চারটির ঠিক দুই সারি সামনের আসনগুলো পুনর্বিক্রয়ে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র কিছু বেশি অর্থ—প্রায় ১৬ হাজার ডলার। এমনকি মাঠের আরও কাছের কিছু টিকিটও বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২৪ হাজার ডলারে।

এসবে দেখা যাচ্ছে, এগুলো ফিফার নিজস্ব টিকিট পুনর্বিক্রয় ওয়েবসাইট ‘রিসেল মার্কেটপ্লেস’-এ তালিকাভুক্ত। এটি একটি অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম যেখানে টিকিটধারীরা তাদের টিকিট অন্যদের কাছে বিক্রি করতে পারেন; তবে প্ল্যাটফর্মে পুনর্বিক্রয়ের দাম নির্ধারণে ফিফার নিয়ন্ত্রণ নেই—বিক্রেতারা নিজেদের মতোই দাম ঠিক করেন। প্রতিটি লেনদেন থেকে ফিফা ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয়ের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ করে কমিশন কেটে নেয়।

ফিফার এক মুখপাত্র সিএনএন স্পোর্টসকে বলেছেন, “ফিফার রিসেল মার্কেটপ্লেস সমর্থকদের জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত পরিবেশে টিকিট কেনাবেচার সুযোগ করে দেয়। এখানে প্রযোজ্য ফি উত্তর আমেরিকার ক্রীড়া ও বিনোদন খাতের প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।” প্ল্যাটফর্মটি কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও স্থানীয় আইনের কারণে মেক্সিকোর নাগরিকরা এখানে গায়ের দামের চেয়ে বেশি মূল্য দাবিতে তালিকাভুক্ত করতে পারবেন না।

বর্তমান তালিকায় ফাইনাল ম্যাচের সাধারণ টিকিটের সবচেয়ে নিন্ম পুনর্বিক্রয় মূল্য প্রায় ১১ হাজার ডলার, আর হুইলচেয়ার ব্যবহাকারীদের জন্য সংরক্ষিত টিকিটের ন্যূনতম মূল্য দেখা গেছে প্রায় ১৫ হাজার ডলারে। পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ফিফা সম্প্রতি তাদের অফিসিয়াল সাইটে ফাইনালের নতুন কিছু টিকিট ছাড়া হয়েছিলো—এসবের প্রতি টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছিল ১০,৯৯০ ডলার।

ফিফা বলছে, টিকিটের দাম ও ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে বাজারের চাহিদা বিবেচনায়; টিকিটগুলো বিভিন্ন ধাপে ছাড়ার সময় সবচেয়ে সাশ্রয়ী ‘ক্যাটাগরি-৪’ এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে বরাদ্দ করে প্রতিটি ম্যাচেই অন্তত ১,০০০টি টিকিট রাখা হয়েছে মাত্র ৬০ ডলারে। তবু ইতিহাসে সবচেয়ে ‘সাশ্রয়ী’ বিশ্বকাপ হিসেবে এ আয়োজনের ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিক্রয় বাজারে দেখা এমন আকাশছোঁয়া দর সাধারণ দর্শকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে—বিশেষত টিকিট ছাড়াও ভ্রমণ, থাকার খরচ বেড়ে যাওয়া নিয়ে।

উচ্চমূল্যের টিকিট বিক্রির সমালোচনার মাঝেই ফিফা বারবার উল্লেখ করেছে যে সংগঠনটি অলাভজনক এবং এই আয় ফুটবলের উন্নয়নে পুনরায় বিনিয়োগ করা হবে। তবু ভক্তদের কাছে চূড়ান্ত প্রশ্ন রয়ে গেছে: সুখবরটি কি হবে কেবল অনেকেই যে কদাচিৎই টিকিট পৌঁছে দিতে পারবে, নাকি টিকিটের ন্যায্যতা ও সাশ্রয়িতা সকলের জন্য নিশ্চিত করা যাবে?

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo