1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় উচ্ছেদ করতে চাই: আইনমন্ত্রী জ্বালানি সমন্বয়ে ঢাকা থেকে ৭ বিভাগীয় শহরের বাসভাড়া কত বেড়েছে জ্বালানি দামের বাড়তি প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে বড় থাকবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী লোডশেডিংয়ে জনান্তর: সংসদে সরকারের আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ গরু ব্যবসায় দ্বন্দ্বে ছাত্রদল নেতা খুন, যুবদল কর্মী রগ কেটে আহত নাট্যকর্মী তনু হত্যায় সাবেক সেনা হাফিজুরুর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ৭ দিন ধরে নিখোঁজ লোডশেডিংয়ে মানুষের কষ্টে সংসদে সরকারের দুঃখ প্রকাশ বাসের ভাড়া কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধি সেনাপ্রধান: আমরা যুদ্ধের জন্য নয়, যুদ্ধ এড়াতে প্রস্তুত

যশোরে ক্রমাগত লোডশেডিং: ঝিকরগাছায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম বিদ্যুৎ সংকটে এলাকাবাসী বেগতিক। তারা অভিযোগ করেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, যার ফলে দিনযাপন ও পড়াশোনা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থায়ী সমাধান এবং পৌরসভার লাইনের সঙ্গে ফিডারের সঠিক সংযুক্তি দাবিতে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা ঝিকরগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। স্লোগান নিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন; কিছু সময়ের জন্য অফিসের কাজকর্মও স্থবির হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি সইতে না পেরে তারা হঠাৎ করে অফিস ঘেরাও করেন। বিক্ষোভকারীরা জানান, প্রায় চার বছর আগে ফিডার পরিবর্তনের পর থেকেই তারা নিয়মিত বৈদ্যুতিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফেজ সমস্যা থাকায় সামান্য বাতাস বা ঝোড়ো বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎ চলে যায় এবং ঘণ্টায় ঘণ্টা পরে না-ও ফেরে। তারা দ্রুত ফিডার বা ফেজ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।

কাটাখাল কলোনির বাসিন্দা মোঃ জালাল হোসেন বলেন, “২৪ ঘণ্টায় আমরা দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই। কখন আসে, কখন যায় কিছুই ঠিক নেই। বৃহস্পতিবার ভোরে বিদ্যুৎ চলে যায়; ১১টায় মাত্র দুই মিনিট পাওয়া গিয়েছিল, পরে দুপুর ২টার দিকে আধা ঘণ্টার মতো আসে, তারপর আবার চলে যায়। রাতেও একই অবস্থা।”

এসএসসি পরীক্ষার্থী সোহানা খাতুন অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়াশোনায় বড় অসুবিধা হচ্ছে এবং ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয়রা আরও বলেন, গাছের পাতাও নড়লেই বিদ্যুৎ চলে যায়—এখানে গ্রাহকরা ‘চরম অবহেলার’ শিকার হচ্ছেন।

ঝিকরগাছা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম জানান, এ এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা দীর্ঘদিনের; কর্তৃপক্ষকে বহুবার জানিয়েও কোনো সঠিক সমাধান হয়নি।

ঝিকরগাছা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝিকরগাছা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাদির জানান, সমস্যাটি মূলত টেকনিক্যাল; দ্রুত একটি টেকনিশিয়ান টিম পাঠিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ সংকট একটু বেশি তবুও সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, অল্প সময়ের প্রতিশ্রুতি নয়—দ্রুত ও স্থায়ী সমাধি না হলে তাদের আন্দোলন তীব্র করার হুঁশিয়ারি রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo