1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

লোডশেডিংয়ে জনান্তর: সংসদে সরকারের আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

চলমান তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের কষ্টের জন্য সংসদে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ অনুচ্ছেদের প্রতিবেদনে প্রতিমন্ত্রী এই ব্যাখ্যা ও ঘোষণা করেন।

প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বললেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের নয়, আগের সরকারের অব্যবস্থাপনার ফলেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। তিনি জানান, কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা বেশি দেখালেও বাস্তবে তা মিলছে না। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট; তবে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াটের ঘাটতির কারণে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করা হচ্ছে।

গ্রাম-বিশেষ করে কৃষকের সেচের সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং শহর-গ্রামের মধ্যে বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে সরকার পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীতে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—যার ফলে সেই শক্তি গ্রামের সেচ কাজে সরবরাহ করা হবে। সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলাপের পর নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

গ্যাস সংকটের পরিসংখ্যানও তিনি তুলে ধরেন: দেশে দৈনিক গ্যাস চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট; দেশীয় কূপ থেকে উৎপাদিত হচ্ছে ২ হাজার ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি হচ্ছে ৯৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে দৈনিক ঘাটতি দাঁড়ায় ১ হাজার ১৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে তৎক্ষণাৎ আমদানি বাড়ানো সম্ভব নয়, তবে গ্যাস অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের তালিকায় স্থিতিশীল অগ্রগতি থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

বর্তমান লোডশেডিং কমানোর ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী জানান, কিছু রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে একটি আমদানিচালিত ও একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ ক্ষমতায় চালু নেই। কয়েক দিনের মধ্যেই এসব কেন্দ্র পূর্ণ উৎপাদনে গেলে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটের মতো যেটুকু লোডশেডিং হচ্ছে, তা আগামী সাত দিনের মধ্যে কমে আসবে।

সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি জনগণের কষ্টের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, সরকার এ সমস্যার সমাধান ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাবে। এছাড়া সংকট নিরসনে সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত ১০ সদস্যের কমিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা ভবিষ্যতে দেশের জন্য দিশা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo