1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইন্টারনেটে তরুণদের শীর্ষ খোঁজ: সরকারি চাকরি ও ক্রীড়া

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জরিপে দেখা যায় দেশের তরুণ-তরুণীদের অনলাইন কার্যক্রমে প্রধান চাহিদা চলছে ক্যারিয়ার সম্পর্কিত তথ্য ও বিনোদন। জরিপ অনুযায়ী অনলাইনে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয় সরকারি চাকরির তথ্য — ৬৪.২ শতাংশ; আর ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য তৃতীয় নয়, বরং দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ৪৯.৮ শতাংশ। একই জরিপে দেখা যায় প্রতিদিন অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৭২.৪ শতাংশ মানুষ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিবিএস অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত এই আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারিক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। জেলা ও অঞ্চলভিত্তিক পার্থক্যও জোরালো: স্মার্টফোন ব্যবহার শীর্ষে কুমিল্লা, সর্বনিম্ন কুড়িগ্রামে; পরিবারের স্তরে ইন্টারনেট ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ঢাকায় — ৬৫.৪ শতাংশ পরিবার, সবচেয়ে কম ময়মনসিংহে — ৩৭.৮ শতাংশ পরিবার।

অনলাইনে ভোগ-ব্যবহারও বাড়ছে, তবে সীমিত: গত তিন মাসে অনলাইনে পণ্য বা সেবা কিনেছেন ১১.৬ শতাংশ মানুষ। সরকারি অনলাইন সেবা গ্রহণের অগ্রগতি তুলনামূলক কম — গত এক বছরে ১৬.৯ শতাংশই এসব সেবা নিয়েছেন। প্রযুক্তিতে দক্ষতার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ দক্ষ কপি-পেস্টে — ৮৪.৪ শতাংশ।

ডিজিটাল ঝুঁকিও কম নয়। জরিপে রোগাণু/ম্যালওয়্যার সংক্রমণকে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখেছে ৫০.৫ শতাংশ মানুষ। পরিবারের পর্যায়ে ডিজিটাল ডিভাইস প্রবেশাধিকার নিয়ে দেখা গেছে মোবাইল ফোনে প্রবেশাধিকার অত্যন্ত বেশি — ৯৮.৯ শতাংশ পরিবার, ইন্টারনেট রয়েছে ৫৫.১ শতাংশ বাড়িতে, আর কম্পিউটারে প্রবেশাধিকার মাত্র ৯.০ শতাংশ পরিবারে। ব্যক্তিগতভাবে মোবাইল ব্যবহার করেন ৮৮.৪ শতাংশ, ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৫৩.৪ শতাংশ; কম্পিউটার ব্যবহারকারীর হার ১১.৩ শতাংশ।

শহর ও গ্রামের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের বৈষম্য স্পষ্ট: গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহার ৪৩.৬ শতাংশ, শহরে ৭৫.৭ শতাংশ। লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধানও রয়ে গেছে — মোবাইল মালিকানায় পুরুষ ৭০.০ শতাংশ, নারী ৫৮.৯ শতাংশ; ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে পুরুষ ৫৬.৬ শতাংশ, নারী ৫০.২ শতাংশ। অনলাইন সেবা গ্রাহকের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে ৪৩.৬ শতাংশ মানুষ উল্লেখ করেছেন উচ্চ মূল্যকে।

জরিপে আরও দেখা যায় মুঠোফোনে রেডিও শোনার প্রবণতা বাড়ছে, আর টেলিভিশন ব্যবহার কিছু অংশে কমছে। আন্তর্জাতিক তুলনায় আইসিটি উন্নয়নের সূচকে বাংলাদেশ মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কার থেকেও পিছিয়ে আছে। তবে ইতিমধ্যে পরিবারের ৯৮.৯ শতাংশ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে, স্মার্টফোন আছে ৭২.৭ শতাংশ পরিবারে এবং ৯৮.৫ শতাংশ পরিবারে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত আছে।

সারকথা, বিবিএসের এই জরিপ দেখায় বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা চাকরি ও ক্রীড়া বিষয়ে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী, কিন্তু দাগ চাপছে ডিভাইসের প্রবেশাধিকার, শহর-গ্রাম ও লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধান এবং খরচ-ভিত্তিক বাধা—যেগুলো মোকাবিলায় নীতিগত উদ্যোগ জরুরি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo