1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের লক্ষ্যসমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে প্রতিশোধ বা অযথা বিবাদ নয়—জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি। তিনি সতর্ক করে বলেন, পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে বিরোধ যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়।

তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’’

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব মন্তব্য করেন তিনি। এবারে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননায় ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ভূষিত করা হয়।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন পর্যন্ত যারা শহীদ হয়েছেন বা আহত হয়েছেন—তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের সাহস আজও আমাদের প্রেরণার উৎস।’’

ঐতিহাসিক সত্য স্বীকারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘‘হীন দলীয় স্বার্থের কারণে জাতীয় নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধায় কঞ্জুসতা দেখানো একটি অপমানজনক প্রবণতা। ঐতিহাসিক সত্য সম্মান করা আমাদের দায়িত্ব—এ বিষয়ে দ্বিধা থাকা উচিত নয়।’’ তিনি স্মরণ করান যে, স্বাধীনতা পুরস্কার প্রবর্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (উল্লেখিত ১৯৭৭ সালে)।

এ বছর মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য গুণীজন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন এবং বলেন, ‘‘আপনাদের এই অবিস্মরণীয় কাজ আগামী প্রজন্মের জন্য মূল্যবান পাথেয় হয়ে থাকবে।’’

দেশের বর্তমান অবস্থাকে ঘিরে তিনি বলেন, ‘‘দুর্নীতি এবং দুঃশাসনের ফলে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্বল শাসনব্যবহার থেকে বর্তমান সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং দুর্নীতি দমন করে জনগণের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনাই আমাদের অগ্রাধিকার। কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’’

শিক্ষাব্যবস্থার সংকট নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি জানান, অতীতের অত্যাচারি শাসনামলে শিক্ষা খাতে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করা জরুরি। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সেক্টর চিহ্নিত করে দলীয় ইশতেহার অনুযায়ী সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি-তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনদূর্ভোগ কমিয়ে আনার জন্য সরকার শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখছে। তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ—বিচলিত হওয়ার কারণ নেই।’’ পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা ও অপব্যয়ের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত গুণীজনদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে তাদের অবদান বাংলাদেশের মর্যাদা বিশ্বজুড়ে বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo