1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

কানাডার ইতিহাস: ফেডারেল পার্লামেন্টে প্রথম বার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি ডলি বেগম

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

কানাডার রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায় লিখলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নেতা ডলি বেগম। সোমবার (১৪ এপ্রিল) টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনে অনুষ্ঠিত ফেডারেল উপনির্বাচনে লিবারেল পার্টির নৌকা থেকে অংশ নিয়ে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফেডারেল পার্লামেন্টে এমপি হিসেবে জায়গা করে নিলেন।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, ডলি বেগম প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পান এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। এই জয় বাংলাদেশের অভিবাসী সমাজ ও কানাডার বাঙালি সম্প্রদায়ের কাছে গর্বের বিষয় হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।

এই সাফল্য কেবল ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অর্জন নয়; ফেডারেল পর্যায়ে বাংলাদেশের বংশোদ্ভূত কণ্ঠ হিসেবে তার উপস্থিতি বহু মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বিশেষ করে নারী নেতৃত্ব ও কমিউনিটি প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।

ডলি বেগমের রাজনীতি নতুন নয়। তিনি অন্টারিও প্রাদেশিক পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন ও স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট থেকে এমপিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ন্যায়বিচার, অভিবাসী অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সমতা প্রতিষ্ঠার পক্ষে তিনি সরব কণ্ঠ ছিলেন—যেই অবস্থানই তাকে সংগ্রামের পরে আজকের এই সফলতায় পৌঁছে দিয়েছে।

বিজয়ী ভাষণে ডলি বেগম বলেন, এই জয় কেবল তার নিজের নয়, এটি বহুসাংস্কৃতিক কানাডার অন্তর্ভুক্তিমূলক চেতনার জয়। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তাঁর কাজের মূল লক্ষ্য থাকবে স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়নের ত্বরান্বিতকরণ, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সমঅধিকার নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায় ও প্রবাসীরা বলছেন, ডলি বেগমের এই অর্জন আগামী প্রজন্মকে রাজনীতি ও নেতৃত্বে অংশ নেওয়ার অনুপ্রেরণা দেবে। পাশাপাশি এই আসনের জয় লিবারেল পার্টির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ; এটি পার্লামেন্টে দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে বা বাড়াতে সহায়তা করেছে।

আগামী সপ্তাহগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা ও শপথ গ্রহণ সংক্রান্ত সূচি প্রকাশ করা হবে। যেখানে তিনি জোট সরকারে বা সংসদীয় কার্যক্রমে কিভাবে অংশ নেবেন, সেটাই এখন সবার নজরের বিষয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo