দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোঃ রেজাউল হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। সোমবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিচারপতি মোঃ রেজাউল হাসান বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ー ধারা ৯৬ এর অনুচ্ছেদ ৮-এর অধীনে, নিজস্ব স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে তার পদত্যাগের বিষয়টি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।
গত ৩০ মার্চ, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পর এই বিচারপতি পদত্যাগের জন্য অনুরোধ জানিয়ে একটি পত্র জমা দেন। এরপর সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। এর আগে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মোঃ রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালে দুটি কোম্পানি মামলার কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব করেছেন। অপ্রতিযোগিতামূলক আচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত থাকলেও, রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক তুলে ধরা হয়, যা পরে আপিল বিভাগ বাতিল করে। অন্য এক মামলায়, আবেদনকারীর স্ত্রীর পক্ষ না নিয়ে, তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের মূলনীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি। এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে এবং যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে এই বিষয়ে সংবিধানের আওতায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।