1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মানবাধিকার অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে ভুল তথ্য উপস্থাপনা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

সদ্য বিদায় নেওয়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পাঁচজন কমিশনার এক যৌথ ‘খোলা চিঠি’ প্রকাশ করে সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত কিছু তথ্যের সঠিকতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তারা জানান, এই অধ্যাদেশগুলো সংসদে পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া চরম অনিশ্চয়তা দূর করতে এবং সরকারের ভুল বোঝাবুঝি শুধরে নেওয়ার জন্য তারা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। খোলা চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, সংসদে উপস্থাপিত কিছু তথ্য বিভ্রান্তিকর ও ভুল ছিল, যা বিচার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

চিঠিতে তারা তিনটি বিষয় সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করেন: সংসদে উপস্থাপিত ভুল তথ্যের সঠিক জবাব, সংশ্লিষ্ট সরকারের প্রকৃত আপত্তির বিষয়বস্তু এবং ভবিষ্যতের আইনের মানোন্নয়নের জন্য প্রস্তাবনা। কমিশনাররা মনে করেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশটি একটি ‘প্রিন্সিপাল আইন’, যার ভিত্তিতে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কিত অধ্যাদেশগুলো গঠন করা হয়েছে।

বিদায়ি কমিশনারগণ দুটি মূল পয়েন্টে কিছু বিষয় স্পষ্ট করেন। প্রথমত, গুমের শাস্তি নিয়ে সংসদে বলা হয়েছিল যে সাজা মাত্র ১০ বছর, যা ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায্য নয়। বাস্তবতা হলো, গুমের জন্য সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কখনো কখনো জরিমানা (ধারা ৪(১)-(২)) ধার্য্য করা হয়।

দ্বিতীয়ত, তদন্তের সময়সীমা ও জরিমানা সংক্রান্ত বিষয়। সংসদে বলা হয়েছিল, এই অধ্যাদেশে তদন্তের কোনো সময়সীমা ও জরিমানা নির্ধারণের পদ্ধতি নেই। তবে, বাস্তবে মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে তদন্তের সময়সীমা (ধারা ১৬(১) (ঙ)-(চ)) এবং জরিমানা নির্ধারণ, আদায় প্রক্রিয়া (ধারা ২৩) উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি, সময়মতো তদন্ত রিপোর্ট না দাখিল করলে শাস্তির ব্যবস্থা (ধারা ৮(৫)) কার্যকর।

চিঠিতে তারা প্রকাশ করেন, সংসদ কর্তৃক পুনঃপ্রণীত ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইনে এ সব বিষয়ের উল্লেখ নেই। এই বক্তব্যগুলো তারা প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ভুক্তভোগীদের বিপদ-আপদ ও আইনি জটিলতা দূর করার উদ্দেশ্যে জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন। এই মহৎ প্রয়াসে কমিশনাররা সততার সঙ্গে সত্য তুলে ধরার জন্য তাঁদের সক্ষমতা ও দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo