1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

৪ ওভারে ৭ রানে নাহিদ রানার ৩ উইকেট, শরিফুল পেলেন ১

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

পিএসএল ম্যাচে পেশাওয়ার জালমি একদমা বিধ্বংসী ক্রিকেট খেলেছে—বিধ্বস্ত করেছে করাচি কিংসকে। জালমি ২৪৬ রানে ইনিংস গড়ে ভারতের মতো আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখানোর পর কিংসকে মাত্র ৮৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১৫৯ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায়।

জয়ের মূল কারণ ছিল বোলিংয়ে ধারাবাহিক ওয়ান-টুচারের কাজ। তরুণ পেসার নাহিদ রানার শীতল ও কনসেন্ট্রেটেড বোলিং দেখবার মতো ছিল। ৪ ওভার বল করে তিনি মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন এবং ২৪ বলে ২০টি ডট বল গড়া তার প্রভাব স্পষ্ট ছিল—ব্যাটসম্যানরা ধরাছোঁয়ার সুযোগই পেল না।

অফ স্পিনে ইফতিখার আহমেদও দুর্ধর্ষ ছিলেন—৩ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৯ রানে। এছাড়া বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামও পাওয়ার প্লেতে আঁটসাঁট বল করে ৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ডেভিড ওয়ার্নারের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দলের ভালো শুরু এনে দেন।

বাতিল করে দেওয়ার মতো এক ব্যাটিং কীর্তি ছিল কুসাল মেন্ডিসের। ৫২ বলে ১৪ চার ও ৪ ছয় দিয়ে তিনি ১০৯ রান করে ম্যাচসেরা হলেন। অন্যদিকে অধিনায়ক বাবর আজম ইনিংস জুড়ে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ৫১ বলে অপরাজিত ৮৭ রানে থাকেন, যা দলকে একটি শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।

কিংসের ইনিংস শুরুতেই সমস্যা। প্রথম ওভারে ইফতিখার মুহাম্মাদ ওয়াসিমকে ফেরান। পরের ওভারে শরিফুলের প্রথম বলেই ডেভিড ওয়ার্নার আউট হওয়া ম্যাচের অন্যতম মোড়—ওয়ার্নারকে তার ব্যাক অফ লেংথ ডেলিভারিতে থামাতে পারলেন না বাঁহাতি ব্যাটসম্যান, বেটের ওপর থেকে বাউন্ডারি উদ্দেশ্যে গিয়ে অফ সাইডে লেগে যায়। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দৌড়ে এসে ফারহান ইউসুফ দুর্দান্ত ডাইভ করে অবিশ্বাস্য ক্যাচ নেন। এ ম্যাচের আগে ওয়ার্নার সিডনিতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন—আরও একদমই দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায় ছিল তার জন্য, কারণ এদিন তিনি প্রথম বলেই ফেরেন।

কিংসের চেজ শুরু থেকে ধারাবাহিক উইকেট হারায়। নাহিদের প্রথম ওভারে (ইনিংসের পঞ্চম ওভার হিসেবে) আজম খান একমাত্র রান নেন; দ্বিতীয় ওভারেই নাহিদ সাদ বেগকে শর্ট বল টপ করার চেষ্টা করতে গিয়ে ওপরে তুলে দেন এবং নিজেই ক্যাচ ধরেন—এটাই নাহিদের দ্বিতীয় ওভার থেকে তার প্রথম উইকেট। পরে ১৪তম ওভারে তিনি খুশদিল শাহকে কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়তে দেন এবং একই ওভারে অ্যাডাম জাম্পাকেও সরাসরি বোল্ড করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। নিজের কোটার শেষ ওভারে নাহিদ কেবল এক রান খরচ করে বোলিং শেষ করেন।

মোটের ওপর ইফতিখার ও নাহিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং শরিফুলের পাওয়ার প্লে আক্রমণই কিংসকে ভেঙে দিয়েছেন। নাহিদের আগের ম্যাচে (হায়দরাবাদ কিংসমেনের বিপক্ষে) ৩ ওভারে ৩০ রান দিয়ে উইকেটহীন ছিলেন—তবে আজ তিনি চমক দেখালেন। আর আসরে শরিফুলও আগের দুই ম্যাচে উইকেটশূন্য ছিলেন; আজ তাঁর বোলিং ফের দলের জন্য ফলপ্রসূ প্রমাণিত হল।

মোটকথা, পেশাওয়ার জালমির ব্যাটিং–বোলিং মিলেই এ দারুণ জয়। কিংসের জন্য ম্যাচটি ছিল হতাশাজনক, আবার জালমির হয়ে কুসাল মেন্ডিস ও নাহিদ রানার প্রদর্শন বিশেষভাবে দৃষ্টিগ্রাহ্য ছিল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo