1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

বুলবুলের অভিযোগ: তামিমের নেতৃত্বে গঠিত এডহক কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চান

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্বলতা দেখায়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে এনএসসি সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে ১১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন করেছে, যার নেতৃত্বে আছেন তামিম ইকবাল। তবে বুলবুল ওই এডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (আইসিসি)-র হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

বুলবুল একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সরকারিভাবে হস্তক্ষেপ করে তার পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তিনি চান আইসিসি যেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে ও ওই কমিটিকে কাজ করতে না দেয়। তিনি জানাচ্ছেন, তামিম যখন দায়িত্ব নেন, তখনই তিনি এনএসসিতে জমা হওয়া তদন্ত প্রতিবেদনকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তদন্তে অংশ নেয়া পাঁচ সদস্যের কমিটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে হওয়া নির্বাচনে একগাদা নিয়মবিরতি, কারচুপির চেষ্টা ও বিভিন্ন দুর্বলতা পেয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছে। কিন্তু বুলবুল তার বক্তব্যে বলছেন, ওই নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠভাবে হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের আইনগত ভিত্তি নেই। তিনি তদন্ত প্রতিবেদনকে ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালি ও আইনগতভাবে অব্যাহতি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

বুলবুলের মতে, নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন সংবিধান মেনে কাজ করেছে। গত নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা ছিলেন — সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক। তিনি দাবি করেন, তামিম ও ১৫ ক্লাবের কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোই তখন আধা-বিচারিক পদ্ধতিতে সমাধান করা হয়েছিল।

বুলবুল আরও বলেন, কিছু সাবেক ক্রিকেটার বোর্ডকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই ‘নির্বাচন ফিক্সিং’ ধরনের অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়া তিনি প্রশ্ন তুলেছেন এনএসসির হাতে এমন ধরনের তদন্ত করার বা একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান—বিসিবি—ভেঙে দেওয়ার আইনি এবং নির্দেশিকার এখতিয়ার আছে কি না।

বুলবুল আইসিসির নিয়মাক্রমের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন—আইসিসি কোনো জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপ সহ্য করে না। তাই তিনি এই ঘটনার উপরকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন, এনএসসির পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাবলিক ইমেজ ক্ষুণ্ণ করছে।

এনএসসি বুলবুলের বোর্ড ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠনের খবর আইসিসিকে ইমেইল করে জানানো হলেও, বুলবুল তা ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এডহক কমিটিকে বিসিবির সংবিধানের পরিপন্থী ও সরকারি হস্তক্ষেপজনিত বলে অভিহিত করে ‘ভুয়া সংস্থা’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

বুলবুল আইসিসির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, তারা যেন এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং মুলতুবি না দিয়ে এডহক কমিটিকে স্বীকৃতি না দেয়। এ পরিস্থিতিতে তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি অবিলম্বে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন। সমাপ্তিতে বুলবুল আবারও বলেন, হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত তিনি নিজেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo