1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

রামপালের সড়ক দুর্ঘটনায় বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন শুক্রবার (১৩ মার্চ) সম্পন্ন হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।

জুম্মার নামাজের পর মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে শুক্রবার অনুষ্ঠিত জানাজায় মরদেহগুলো রাখা ও জানাজা শেষে তাদের মোংলা পৌরসভার কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরদেহ সকাল থেকেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল হাসপাতাল থেকে এনে গোসল সম্পন্ন করে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন মাঠে রাখা হয়েছিল। পরে বর-কনেপক্ষের কয়েকজনকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি কয়রা ও রামপালে দাফন করা হয়।

নিহতদের মধ্যে ৯ জনই মোংলা পোর্ট পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্য। নিহতদের নামসমূহ — আব্দুর রাজ্জাক, তার দুই ছেলে সাব্বির ও আব্দুল্লাহ, এক কন্যা ঐশী, চার নাতি-নাতনি আরফা, ইরান, ফাহিম ও আলিফ এবং পুতুল বেগম। এছাড়া কয়রার কনের দাদি, নানী, বোন ও কনে এবং রামপালের মাইক্রোবাস চালকও দুর্ঘটনায় মারা যান।

মোংলায় মরদেহ পৌঁছালে শহরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। জানাজার নামাজে মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারসহ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় অর্ধ লাখের মতো মানুষ জানাজায় অংশ নেয়।

প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা-খুলনা সড়কে এ ধরনের দুর্ঘটনা দুঃখজনক; জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং ভবিষ্যতে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে কঠোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে; এছাড়া জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকেও সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিলে অনুদানগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় নিহত মোট ১৪ জনের মধ্যে কনেপক্ষের মরদেহগুলো খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে নিয়ে গিয়ে সেখানে কনের দাদি, নানী, বোন ও কনের দাফন সম্পন্ন করা হয়। মাইক্রোবাস চালককে রামপালের নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে মোংলা থেকে খুলনার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি স্টাফবাহী বাসের সঙ্গে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে; শুরুতে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন নিহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাকিরা মারা যান। তদনেৎ তদন্ত করে নির্দিষ্ট কারণ 밝혀 হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo