1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ব্রাজিলে ফাইনালে মারামারি—২৩ জনকে লাল কার্ড

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে উত্তেজনা এবং প্রবল আবেগ দুর্লভ নয়। তবে ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যা ঘটল, তা যেন সব রেকর্ডই হার মানাল। মিনিটের মধ্যে খেলোয়াড়েরা একে অপরকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করলেন, শেষে রেফারি পকেট থেকে বের করলেন মোট ২৩টি লাল কার্ড — ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড।

ফাইনালে মুখোমুখি ছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রুজেইরো ও অ্যাতলেটিকো মিনেইরো। ম্যাচ একেবারে শেষ মুহূর্তে পৌঁছালে ক্রুজেইরো এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। ইনজুরি টাইম শেষ হওয়ার মাত্র ৩০ সেকেন্ড আগে ক্রুজেইরোর স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ান ও অ্যাতলেটিকোর গোলরক্ষক এভারসনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

ঘটনার পর এভারসন তার নিয়ন্ত্রণ হারান—ক্রিস্টিয়ানকে টেনে মাটিতে ফেলে ও তাঁর বুকের ওপর উঠে ক্ষোভ উছলান। পরিস্থিতি শান্ত করতেই রেফারি এগিয়ে আসেন, কিন্তু পেছন থেকে ক্রুজেইরোর এক খেলোয়াড় এভারসনকে ধাক্কা দিলে তিনি গোলপোস্টে গিয়ে আঘাত লাগে ও ভূমিতে পড়ে যান।

ঠিক তখনই মাঠে বিশাল মারামারি শুরু হয়। দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরকে আক্রমণ করতে শুরু করেন; কিল-ঘুষি, লাথি ও ধাক্কাধাক্কি ছড়ায়। ডাগআউট থেকে বেঞ্চের খেলোয়াড় ও ক্লাব স্টাফরাও দ্রুত মাঠে কূট-কেচুরি নিয়ে ঢুকে পড়ে। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে ওঠে যে মাঠ থেকে নিরাপত্তাকর্মী এবং সামরিক পুলিশকে লুটিয়ে দিতে হয়।

ম্যাচটি মারামারির কারণে প্রায় দশ মিনিট বন্ধ রাখা হয়। শান্তি ফিরে আসার পরে খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরে গেলেও রেফারি কোনো বুকিং দেননি তখনই। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ঘটনার কারণে রেফারি মোট ২৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যাতলেটিকোর ১১ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পান—ইদের মধ্যে সাবেক ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার হাল্কও রয়েছেন—অপরদিকে ক্রুজেইরোর ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়েছেন। এই কার্ডসংখ্যা ১৯৫৪ সালে দেখা ২২টি লাল কার্ডের ৭২ বছরের পুরনো বিশ্বরেকর্ডও ভেঙে দিল।

ঘটনাটি ব্রাজিলীয় ফুটবলের ইতিহাসে কড়া প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং ম্যাচ শেষে উভয় ক্লাব ও ফেডারেশনের তদন্ত শুরু হওয়ার আশंका রয়েছে। সাধারণ দর্শক ও নিরাপত্তা সংস্থার সতর্ক হস্তক্ষেপ না হলে বড় ধরনের আকার ধারণ করতে পারে এমন সমস্ত সংঘাত নিয়ন্ত্রণকল্পে আগামী দিনগুলোতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo