1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা: ২২ পলাতকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিকভাবে অসুস্থ তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৮জনের বিরুদ্ধে পিবিআই দায়ের করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মহানগর হাকিম জুয়েল রানা অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক থাকা ২২জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আসামিদের মধ্যে রয়েছে জালাল মিয়া, আহসান উল্লাহ (বিপুল) শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান (ইয়াম), ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন (শাফি), আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, রাশেদ কামাল অনিক, মনিরুজ্জামান সোহাগ, আবু রায়হান, রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ, রাব্বিকুল রিয়াদ ও আশরাফ আলী মুন্সী।

তাদের মধ্যে আহসান উল্লাহ (বিপুল) ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে আছেন। জালাল মিয়া, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ২২জন পলাতক আছে বলে জানানো হয়।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী জানিয়েছেন, মামলার বাদী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ অভিযোগপত্রে ‘নারাজি’ জানাবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন; তবে শেষ পর্যন্ত তিনি তা تقديم করেননি।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছিল। এর আগে হলের প্রাক্তন প্রভোস্ট ও ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে একটি পৃথক মামলা করা হলেও তা যথারীতি স্থগিত ছিল। প্রসিকিউশন টিম অভিযোগপত্রে প্রতিফলিত প্রসঙ্গের জবাবে দেরির কারণ সম্পর্কে উল্লেখ করেনি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে আহত ও মানসিক ভারসাম্যহীন প্রদেশের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা করা হয়। হামলাকারীরা তার পরিবারের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছিল। তোফাজ্জলের চাচা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাঁকে ক্রিকেটের স্টাম্প ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটায়। গুরুতর আঘাত ও রক্তক্ষরণে তোফাজ্জলের মৃত্যু হয়।

হত্যাকাণ্ডটি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হয়; অভিযোগপত্রে এই বিবরণ বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। এখন আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর জিআইজ প্রক্রিয়া ও তদন্ত সীমার মধ্যে আসামিদের খুঁজে বের করে আইনী প্রক্রিয়া পালনের চেষ্টা করা হবে। মামলার আগামী কার্যক্রম সম্পর্কে আদালত পরে নির্দেশ দেবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo