1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে টিকটকার রাকিব খুন: তদন্তে ‘বি কোম্পানি’ ঈদ কবে জানাবে সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

নিয়োগ পরীক্ষায় জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় সব প্রার্থী ফেল

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৮ জন প্রার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কারণ, লিখিত পরীক্ষার সময় বাংলার জাতীয় সংগীতটি শুদ্ধভাবে লিখতে পারেননি কেউই। এই ফলাফলে সবাই ব্যর্থ হন এবং পাসের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই নিয়োগ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়নের পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য এই পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। এসব পদে দরখাস্ত করেছিলেন মোট ৩৮ জন প্রার্থী।

পরীক্ষার শুরুতে প্রথমে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর, নিয়োগ কমিটির নির্দেশনায় মেধারূপে প্রার্থীদের বাংলা ও সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এই পরিক্ষার অংশ হিসেবে তাদের জন্য ১৫ মিনিটের সময় নির্ধারিত করা হয় যেখানে তারা বাংলায় জাতীয় সংগীতের লেখাটি লিখতে পারতেন। কিন্তু সময়ের মধ্যে কেউই শুদ্ধভাবে তা লিখতে সক্ষম হননি। ফলে, কেউই উত্তীর্ণ ঘোষণা করা যায়নি এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এমন ঘটনা এই প্রথম। ঘটনাটি জানতে পেয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। কিছু স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, গ্রাম পুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের জন্য কমপক্ষে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সাধারণ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অন্যদিকে, কঠোর মেধা পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের প্রশংসা করেছেন নিয়োগ কমিটির সদস্যরা।

নিয়োগ বাছাই কমিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আকাশ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানরা।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতিযে বলেন, ‘শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে যখন প্রার্থীদের মেধা পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল, তখন খুবই দুঃখজনক ভাবে দেখা যায়, কেউই জাতীয় সংগীতের পাণ্ডিত্য দেখাতে পারেননি। চাকরির জন্য সাধারণ জ্ঞান ও দেশের প্রতি প্রেম থাকা অত্যন্ত জরুরি। এমন অজ্ঞতার বিষয়টি আমাদের সবাইকে হতবাক করে দেয়।’

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ না হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় নিয়োগের জন্য নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তবে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও কঠোর মানদণ্ডে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনার উপায় ভাবা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo