1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি ব্যবসায়ী সুজনের, পরিবারের দাবি উদ্ধার করা হোক

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানের জামাতা ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন সুজন গত বুধবার তারাবির নামাজ আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। পাঁচ দিন ধরে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, যা দেখে পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ভেঙে পড়েছেন। মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, স্তব্ধ স্ত্রী ও কাঁদছে পাঁচ বছরের একমাত্র ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী আব্দুস সোবহান, সুজনের পিতা, জানান, তার ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় তারা সবাই מאוד অসুস্থ। তিনি বলেন, গত ২১ ফেব্রুয়ারি তার ছেলে বাসায় ইফতার শেষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর তিনি পুলিশ লাইন মসজিদে তারাবির নামাজ পড়তে যান। প্রায় আধাঘণ্টা নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে তিনি সামনের রাস্তায় দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তাই তিনি ২২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৪৬০) করেন। পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সাহায্যে তিনি বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালিয়েছেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। মানসিকভাবে ধরাশায়ী এই পরিবার জানিয়েছেন, সুজন কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনও জড়িত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা শত্রুতা নেই। তিনি শুধু ব্যবসা পরিচালনা করতেন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ছাড়া কোথাও যেতেন না। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তিনি খুলনার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সুজন মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখাও গেছে। কিন্তু ক্যামেরাগুলোর বেশিরভাগই নষ্ট থাকায় তার গন্তব্য নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ফুটেজে ধারণা করা হয়েছে, তিনি সম্ভবত কাস্টমঘাট এলাকার দিকে গিয়েছিলেন।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে কাজী আব্দুস সোবহান জানান, সুজন কোনও হুমকি বা সন্দেহজনক ফোন কলের খবর পাননি। তার কোনও বিরোধ বা লেনদেনের সমস্যা ছিল না। তিনি আরো যোগ করেন, নামাজে যাওয়ার সময় সুজন মোবাইল বা মানিব্যাগ নিজ সঙ্গে নিয়ে যাননি; সম্ভবত পকেটে সামান্য টাকা থাকতে পারে।

অবস্থা এতটাই উত্তেজনাকর যে পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও তাকে খুঁজে না পাওয়ায় উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। জানা গেছে, তিনি খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানের জামাতা। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা তার সন্ধানে কাজ করছে।

খুলনা সদর থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, সুজনের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে। ক্যামেরাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তিনি নামাজ শেষ করে কাস্টমঘাট এলাকায় গিয়েছিলেন, এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ। আমরা তার খোঁজে নানা ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী আব্দুস সোবহান একের পর এক আবেদন করেন, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকায় এক ঘণ্টার মধ্যে তার ছেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমার একমাত্র ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমি প্রার্থনা করছি, যেন তিনি এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo