1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
৮ উপদেষ্টার দফতর বণ্টন: কে পেলেন কোন দায়িত্ব গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা, ডাক্তারদের পেছনে না ঘুরে ডাক্তাররা মানুষকে ঘুরাবেন রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে ২ নিহত নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে দুই নিহত তিন বিভাগে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২ জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, একুশের মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা। দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে এই চেতনাকে ধারণ করে দেশ এক সময় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে আরও দৃঢ় ও সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগামীকাল মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনটি আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যমণ্ডিত। আমি বাংলাভাষা, দেশের সকল ভাষাভাষী ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা তাদের আত্মদান দিয়ে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী একুশে ফেব্রুয়ারিকে আমাদের জাতীয় জীবনের এক অসামান্য অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৫২ সালে এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে বৈষম্য ও শোষণের অবসান ঘটিয়ে পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান তৈরি হয়। মাতৃভাষার এই আন্দোলন কেবল ভাষার স্বীকৃতি এনে দেয়নি, এটি আমাদের স্বাধিকার, গণতন্ত্র এবং সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করে। একুশের এই রক্তক্ষয়ী পথই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতার পথ সহজ করে দেয়।

তিনি emphasizing করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের মূল ভিত্তি। ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তঃজাতীয় মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা আমাদের মাতৃভাষার প্রতি ভালবাসা ও ত্যাগের স্বীকৃতি। আজ বিশ্বজুড়ে একুশের চেতনা ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সংরক্ষণে বৃহৎ আন্দোলনের রূপ নিয়েছে।

তারেক রহমান যোগ করেন, ‘আমরা ভাষা শহীদদের, ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং ২০২৪ এর স্বাধিকার সংগ্রামের সকল মহত্ত্বের চেতনা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আমাদের দেশে ভাষার বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা ও সমুচিত ব্যবহারে সবাই সচেতন হয়ে উঠি।

শেষে, তিনি সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি সফলতা কামনা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo