1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যু

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের স্বপরিচিত নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। গত দীর্ঘ সময় ক্যানসারে ভুগে ৮২ বছরে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন), খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

জাভেদ দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত বছরের এপ্রিলেও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিছুদিন ধরেই তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন; হাসপাতালে থাকা সময় ও পরবর্তীতে চিকিৎসক ও দুজন নার্স নিয়মিত তার দেখাশোনা করছিলেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে দুজন নার্স জানান তার সারা শরীর ঠান্ডা ছিল, এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদমাধ্যমকে মৃত অভিনেতার স্ত্রী ডলি চৌধুরী এই তথ্যটি জানিয়েছেন।

ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও ভাগ্যে খোদ তাঁকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। সত্যিকারের খ্যাতি আসে ১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘পায়েল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি নায়িকা শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজই তার নাম দেন ‘জাভেদ’।

নৃত্যপরিচালনাই ছিল তার ক্যারিয়ারের শুরু; পরে নায়ক ও নৃত্যশিল্পী হিসেবে থেকে যান দর্শকদের মনে। একের পর এক ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়ে তিনি দর্শকদের মধ্যে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে টিকে ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিখ্যাত নায়িকা ডলি চৌধুরীর হাতেই বিবাহিত হন।

জাভেদের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’ প্রভৃতি।

সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে ইলিয়াস জাভেদ ছিলেন পর্দা কাঁপানো নাচ ও আকর্ষণীয় অ্যাকশনের এক আদর্শ মিশ্রণ। তাঁর প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি স্বতন্ত্র অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। চলতি সময় তার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা জানিয়ে অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo