1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের সোনালী সহযোগীর এক সময়কার দাপুটে নায়ক ও খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর তিনি আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি এবং কিছুদিন ধরেই দুই নার্স ও চিকিৎসকরা বাড়িতেই তার চিকিৎসা-সেবা দিচ্ছিলেন। শুক্রবার নয়—গত বছরের এপ্রিলেও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যমকে জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ সকালে তার স্বামীর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। ‘‘একপর্যায়ে নার্সরা জানায়, তাঁর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন,’’ বলেন তিনি।

ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালের ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও ভাগ্য তাঁকে ঢাকা টেনে আনে এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তাঁর। তবে বড় পর্দায় নিয়মিত প্রতিষ্ঠা পান ১৯৬৬ সালে মুক্তিপাপ্ত ‘পায়েল’ ছবির মধ্য দিয়ে, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজ তাঁকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

নৃত্য-নৈপুণ্য ও পর্দার উপস্থিতি মিলিয়ে তিনি দর্শকদের মধ্যেই ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে অপরিসীম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নায়কের পাশাপাশি নৃত্যপরিচালনায় তাঁর হাতেখড়ি এবং ক্যারিয়ারে তিনি এক সময় শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে বিখ্যাত চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

জাভেদের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব-শ্বশুর-গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা-বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানি, জীবনসঙ্গী ও আবদুল্লাহ প্রভৃতি।

সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে ইলিয়াস জাভেদ ছিল নাচ ও অ্যাকশনের অনবদ্য সমন্বয়—তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের এক স্বতন্ত্র অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো। দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকেও তিনি নীরবে চিকিৎসা চলিয়েছেন; আজ তাঁর চলে যাওয়ায় শিল্পী পরিবারের পাশাপাশি চলচ্চিত্রপ্রেমীদেরও শোক ভর করে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo