1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও কেডিএ’র যৌথ উচ্ছেদ অভিযান

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

খুলনার সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে অবৈধ দখলদারদের দখল মুক্ত করতে বৃহস্পতিবার এক যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানটি পরিচালনা করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে এ অভিযান, যেখানে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং একাধিক পরিবহন কাউন্টার ভেঙে ফেলা হয়। এই কার্যক্রমের সময় কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হয়েছে, এই সড়কটি শহরে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ হিসেবে বিবেচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এক বড় অংশ দখল থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষে এই সড়কটি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। জনস্বার্থে এই অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং সড়কটি দখলমুক্ত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানে ৩০টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, সামনে আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি চালিয়ে যাওয়া হবে।

কেসিসির পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আবিরুল জব্বার বলছেন, নগরীর অন্যতম প্রবেশপথ সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে, কারণ অবৈধ দখলদাররা এই সড়কটি দখল করে রেখেছিল। সড়কের কর্মক্ষম প্রয়োজন ৬০ ফুট প্রশস্ততা হলেও দোকান ও বাস কাউন্টার গড়ে ওঠায় এই কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

তবে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তারা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ইজারা ও ভাড়া নিয়েই বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ করে এই উচ্ছেদে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করে, তারা ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo