1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

আফ্রিদির সঙ্গে ইরফানের তর্কের গল্প: কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে আঙুল তোলে আফ্রিদি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্ক ও বাদানুবাদের ঘটনা কখনো কখনো মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে দেখা যায়। এরই এক উদাহরণ শেয়ার করেছেন সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। তিনি জানান, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরে গিয়ে তার সঙ্গে শহীদ আফ্রিদির একটি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল। ওই সময়ই ইরফান বলেন, আফ্রিদি কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে পোড়াকণ্ঠে মন্তব্য করেন, যার কারণেই সে দীর্ঘক্ষণ এভাবে চিৎকার করছে।

সম্প্রতি ‘দ্য ল্যালানটপ’ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরফান সেই ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরে ছিলেন তারা। করাচি থেকে লাহোরে ফিরছিলেন দুই দল ক্রিকেটার। সেই সময়েই হঠাৎ আফ্রিদি তার দিকে এগিয়ে আসে। মাথায় হাত দিয়ে চুল এলোমেলো করে দিতে শুরু করে এবং প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, “কেমন আছো, বাচ্চা?” ইরফান তখন জবাব দেন, “তুমি আমার বাবা হয়েগো কখন?” এই আচরণ ছিল খুবই বাচ্চাদের মতো। আফ্রিদি তখন আর বাঁচে না, বাজে কথা বলতে শুরু করে এবং কাছের একটি সিটে বসে পড়ে।

সেসময় পাশে ছিলেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার আবদুল রাজ্জাক। এ নিয়েও ইরফান বলেন, “আমি তখন তাকে প্রশ্ন করি, এখানকার কোথায় কি ধরনের মাংস পাওয়া যায়। তখন সে বলল, বিভিন্ন ধরনের মাছ-মাংসের কথা। আমি তখন জানতে চাই, কুকুরের মাংস কি পাওয়া যায় কি না। এই সময় আফ্রিদিও আশেপাশে ছিল। রাজ্জাক শুনে শক খেয়ে বলে, ‘ইরফান, তুমি এটা কেন বললে?’ আমি তখন বলি, ‘সে কুকুরের মাংস খেয়েছে, সেই জন্যই এত দীর্ঘ আওয়াজ করছে।’

ইরফান আরও জানান, তখন আফ্রিদি রাগে লাল হয়ে যায়। তবে কিছু বলে ওঠেনি। তবে আবার কিছু বলতে গেলে, আমি তাকে বলতে থাকি, ‘দেখো, সে আবারও (কুকুরের মতো) আওয়াজ করছে।’ এরপর আর মুখ খোলা রাখেনি। এই ঘটনাটির পর থেকে আফ্রিদি বুঝতে পারে যে, কখনও মুখোমুখি তর্কে আমি হারব না। ফলে এরপর থেকে আর তার সঙ্গে তর্কে জড়ায়নি।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo