1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জিয়াউর রহমান হত্যায় মেজর (অব.) মোজাফফর ৪৫ বছর পর গ্রেফতার বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮, ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত জিয়াউর রহমান হত্যা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মেজর (অব.) মোজাফফর ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার পাবনায় বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে ২ নিহত; শিশুর মরদেহ নিয়ে ফিরছিলেন স্বজনরা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিফ প্রসিকিউটর: জুলাইয়ে হাসপাতালে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল চিফ প্রসিকিউটর: জুলাইয়ে হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল আইনের পথে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্য্য নির্ধারণ হওয়া উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাইয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ১৮তম বার পেছাল; সিআইডির প্রতিবেদন ২০ আগস্ট দাখিলের তফসিল

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮, ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের কারণে দেশে সৃষ্ট বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫৮—and—এমন সময়ে ১২ লাখের বেশি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বলা হয়েছে, বন্যার প্রভাব রয়েছে সাতটি জেলায়।

মন্ত্রীর অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে বন্যাকবলিত সাতটি জেলা হলো— খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এখন পর্যন্ত ৫২,৪৯৩টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে এবং মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জন। দুর্গত এলাকার মানুষের তৎক্ষণাত সহায়তার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ কার্যক্রম চলছে।

বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানির জেলার প্রাত্যাহিক হিসাব বলছে: কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৩২ জন মারা গেছেন — যার মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে ৭ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন প্রাণ হারান।

এছাড়া বিভিন্ন ঘটনায় আহত হয়েছেন মোট ৪০ জন। আহতদের মধ্যে খাগড়াছড়িতে ১ জন, বান্দরবানে ২ জন, কক্সবাজারে ২৫ জন (স্থানীয় ২০ ও রোহিঙ্গা ৫ জন) এবং চট্টগ্রামে ১২ জন রয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ক্ষতিগ্রস্তদের সাময়িক আশ্রয়, খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ ও বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতির সঙ্গে খোঁজখবর নিতে স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণ সংস্থাগুলো কাজ করছে। উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত ও নিরাপদভাবে পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা এখন সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo