1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

চিফ প্রসিকিউটর: জুলাইয়ে হাসপাতালে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার একটি হাসপাতালে নিহত বহু ব্যক্তির মরদেহ পাশের নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল—এমন তথ্য তদন্তে পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান সংলগ্ন জুলাই শহীদদের গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের তৎকালীন কর্তৃপক্ষও জিজ্ঞাসাবাদসহ আইনি কার্যক্রমের মুখে পড়বে।

চিফ প্রসিকিউটর জানিয়ে দেন, তদন্তে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঢাকার কাছে অবস্থিত একটি নদীতে একটি হাসপাতাল থেকে একাধিক মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়েছিল। কারা কীভাবে এই ঘটনায় জড়িত ছিলেন—সেগুলো শনাক্তের কাজ চলছে; তদন্ত শেষ হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা যেসব মরদেহ সংক্রান্ত ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট, তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা হচ্ছে।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী রায়েরবাজারের গণকবরে মোট ১১৪টি মরদেহ দাফন করা রয়েছে; তাদের মধ্যে এপর্যন্ত আটজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। বাকি মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তকরণ ও পরিবারকে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ অব্যাহত আছে।

মো. আমিনুল ইসলাম যোগ করেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী ওই ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন গণকবর পরিদর্শন করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। রায়েরবাজার ছাড়াও জুরাইন, মাতুয়াইল, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের গণকবরগুলোও পরিদর্শন করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পরিচয় নিশ্চিতকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এসব তথ্য-প্রত্যয় সংগ্রহের পরে যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়া চলবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo