1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিফ প্রসিকিউটর: জুলাইয়ে হাসপাতালে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল চিফ প্রসিকিউটর: জুলাইয়ে হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল আইনের পথে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্য্য নির্ধারণ হওয়া উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাইয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহ নদীতে ভাসানো হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ১৮তম বার পেছাল; সিআইডির প্রতিবেদন ২০ আগস্ট দাখিলের তফসিল সবাই বলেছিল আবহাওয়া অনুকূলে থাকবে, তাই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী চট্টগ্রাম ব্যতীত সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ‘সবার আশ্বাস ছিল আবহাওয়া অনুকূলে থাকবে, তাই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়’: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী কাউকে আঘাত করতে চাইনি, বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী

বাগেরহাটে ইউএনও খাদিজা আক্তার ওমর-হামজাকে ফুল ও আর্থিক সহায়তা দিলেন

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

দৈনিক ‘সময়ের খবর’-এ সংবাদ প্রকাশের পর বাগেরহাটের চিতলমারীর বাবা হারা ওমর ফারুক ও বাবা ছাড়া হামজা ফকিরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ২টায় নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরে তিনি দুই ছাত্রকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান এবং লেখাপড়ার সহায়তার জন্য প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি তাদের পড়াশোনা ও পারিবারিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। ইউএনও’র বন্ধুসুলভ ও আন্তরিক আচরণে ওমর ও হামজা উভয়েই খুশি ও অপ্রত্যাশিতভাবে অবাক হন।

সংবাদটি খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘সময়ের খবর’-এর অনলাইন ভার্সনে ১৪ জুলাই এবং প্রিন্ট সংস্করণে ১৫ জুলাই শিরোনামে প্রকাশিত হয়।

ওমর ফারুক জেলার শিবপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমান ও হাফিজা আক্তারের মেজো ছেলে। তার বাবা প্রায় তিন বছর আগে মারা যান। ওমর এবার শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি লাভ করেছে।

হামজা ফকির শ্যামপাড়া গ্রামের মিশর ফকির ও কাকলী বেগম দম্পতির ছেলে। তার বাবা প্রায় দশ বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে গিয়েছেন। হামজা এবার সুরশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করেছে।

ইউএনও খাদিজা আক্তারের এই সহায়তা ও উৎসাহ দুই পড়ুয়ার জন্য উৎসাহব্যঞ্জক হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং স্থানীয়রা আশা করছেন, তাদের পড়াশোনায় এতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo