1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
৫৭,৬৯৯ বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন; হজকালীন ও পরে মৃত্যু ৫২ মিয়ানমার ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৬ রোহিঙ্গাকে ‘পূর্বে বসবাসকারী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান পূজা উদযাপন ফ্রন্ট; সাত দফা দাবি প্রধানমন্ত্রী: জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ গণতন্ত্র নষ্ট করতে পারবে না নিউমার্কেট ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত প্রতিশোধের মানসিকতা ত্যাগ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউমার্কেট হত্যা মামলায় জামিন পেলেন আবুল বারকাত লালমনিরহাটে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: জনতা–পুলিশ সংঘর্ষে এসপি-সহ ২০ আহত লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভা ঘিরে উত্তেজনা: ডিম নিক্ষেপ, ৩ জন আটক প্রতিমন্ত্রী: যশোর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে

ব্যাটিং গুটিয়ে পড়ায় লড়াই করে হেরে গেল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ১-০ এগিয়ে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুটা ভালো করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং ধ্বসায় হার মানতে হলো বাংলাদেশকে। নিয়মিত উইকেট হারানোর ফলে পাওয়ার প্লের পরে খেই হারিয়ে পড়ে স্বাগতিক দল; শেষ পর্যন্ত শেখ মেহেদীর ছোট কিন্তু কার্যকরী কাঁধ ছাড়া বড় সংগ্রহ করতে পারে না ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশ ১২০ রান পার করতে পেরেছে, কিন্তু সেটি জেতার জন্য যথেষ্ট হয়নি। অস্ট্রেলিয়া জয়ী হয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ এগিয়ে যায় — ম্যাচ জিতেছে ৪ উইকেটে।

অনুশাসিত বোলিং ও কয়েকটি পরিবর্তিত শটের ফলে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ততটা মসৃণ ছিল না। প্রথমেই শুরুর ওপেনার জশ ইংলিসকে শরিফুল ইসলাম বোল্ড করে ফেরান; ইংলিস মাত্র ৫ বলে ৫ রান করে ফিরে যান। এরপর মিচেল মার্শকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান; ১৩ রানে মার্শও আউট হন। মাঝের ওভারগুলোতে কুপার কনোলি ও টিম ডেভিড জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও তাদের জুটি ভাঙান আব্দুল গাফফার সাকলাইন। কনোলি কখনই বিপজ্জনক এক ছন্দে পৌঁছাননি, শেষ পর্যন্ত ২৭ বল ৪৭ রান করে ফিরেন। টিম ডেভিডও বড় করা আগেই শেখ মেহেদীর হাতে ধরা পড়েন; ডেভিডের সংগ্রহ ছিল ২০ রান। বাংলাদেশি বোলাররা লড়াই করেছেন — মুস্তাফিজ, শরিফুল ও সাকলাইন বিভিন্ন সময় দলের চাপে ফেলেছেন এবং মোটাঠিক ছয় উইকেট নিয়েও কড়াকড়ি প্রতিরোধ গড়েন।

ব্যাটিংয়ের সূচনাও ছিল অদ্ভুত উত্থান-পতনভরা। তানজিদ হাসান মাত্র ১০ রানে ফিরেন; স্পেন্সার জনসনের বল খেলতে গিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর সাইফ হাসান কিছুটা আক্রমণাত্মক উপস্থিতি দেখালেও খুব দীর্ঘ সময় টিকতে পারেননি; মাত্র ২০ রানে ফেরেন। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় শুরুতেই ছন্দ ধরে ছক্কা হাঁকালেও বেশি সময় টিকতে না পেরে মাত্র আট রানে ফিরে যান। সৌম্য সরকারও চেষ্টা করলেও মাঝপথে ফেরেন; দলের অন্যতম ভর ছিলেন না কেউই।

নবদলীয় অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন এবং শেখ মেহেদী মুস্তাফিজ দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি করেন — সাকলাইন সময়ে সময়ে উইকেট তুলে দলের হাতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ এনে দেন, আর মেহেদী শেষ দিকে কিছুকাল দায় হয়ে ইনিংস সামলান। তবু মোটকথা, ব্যাটিং এককভাবে বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হওয়ায় স্কোরটি সীমিত ছিল এবং অস্ট্রেলিয়ার জন্য তা ধরা কঠিন লক্ষ্য নয়।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে কনোলির দ্রুততম এক ইনিংস সহ কয়েক জন খেলোয়াড় অবদান রাখলেও শেষ পর্যন্ত মধ্য ও নিম্ন মধ্যাহ্নের অংশটি দলের জন্য ম্যাচ সহজ করে তোলে। বাংলাদেশের বোলাররা কিছু মুহূর্তে চাপ তৈরি করলেও ধারাবাহিকতা রাখতে পারেনি। সঙ্গত প্রয়াস ও কয়েকটি দৃঢ় শটে অস্ট্রেলিয়া জয়ের দিকেই এগিয়ে যায় ও লক্ষ্যে পৌঁছে যায় চার উইকেটে।

ম্যাচ শেষে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে — বিশেষ করে বোলিং ইউনিটের কিছু সদস্য — কিন্তু টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ও মাঝপথে নিয়মিত উইকেট হারানো জয়ের সুযোগ সরিয়ে নেয়। সিরিজ এখন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১-০; বাংলাদেশ আগামী ম্যাচে ব্যাটিং ও শুরুর অনুশীলনে মনোযোগ দিয়ে ফেরার চেষ্টা করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo