1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ারসেরা ৮৬*, বাংলাদেশ সংগ্রহ ২৮৪/৮

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি স্মরণীয় করে দিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মিরপুরে টস হারিয়ে ব্যাট করতে নেমে দলের বিপদের মুহূর্তে নিজেকে তুলে নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে থিতু করে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। নির্ধারিত ৫০ ওভারের শেষে টাইগাররা সংগ্রহ করেছে লড়াকু ২৮৪ রান, হারিয়েছে ৮ উইকেট।

শুরুটা কোনোভাবেই রোমাঞ্চকর ছিল না। মাত্র ৫ রানে ফিরে যান ওপেনার সাইফ হাসান। এরপর তানজিদ তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত জুটি গড়ে দলের ঘাড়ে দায়ী স্থির করেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে ৯১ বল মোকাবেলায় ৯৬ রান করে পাল্টা আক্রমণ চালান। তানজিদ ৫৪ রানে ফিরে গেলেও শান্ত তার ব্যাটে কাঁধ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যান।

চারের দায়িত্বে নামে লিটন দাস, কিন্তু তিনি বড় ইনিংস গড়ার আগেই মাত্র ৭ রানে ব্যাট থেকে বিদায় নেন। শান্ত তখন নিজের অভিজ্ঞান বানিয়েছেন—ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন—তবু ৬৭ রান করে শেষ পর্যন্ত আর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি।

এরপর হঠাৎ করে চার উইকেট হারিয়ে টাইগারদের ইনিংস কষ্টে পড়তে থাকে। সেই সংকটে সামনে এসেছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক। চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে এসেই মোসাদ্দেকের আগ্রাসী ব্যাটিং দলের জন্য নির্ধারণী হয়ে ওঠে; হৃদয়ের সঙ্গে মিলে তারা গড়েন ৭৫ রানের সংযোজক জুটি।

খেলায় ছিল বৈপরীত্য—মোসাদ্দেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক, হৃদয় ছিলেন ধীর ও সংরক্ষণশীল। হৃদয় খেলেছেন ৫১ বল ও করেছেন ৩১ রান। পরের ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানভীর ইসলাম যথেষ্ট অবদান রাখতে পারেননি, তাই ইনিংস বড় করার ভার অনেকটাই মোসাদ্দেকের কাঁধে রইল।

মিডলঅর্ডারের এককালীন ব্যর্থতায় একাই লড়াই করতে দেখা গেছে মোসাদ্দেককে। নিজের চতুর্থ ওয়ানডে ফিফটির দিনে তিনি খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস—৭০ বল খেলে অপরাজিত ৮৬ রান। এর আগে ওয়ানডেতে তার সর্বোচ্চ ছিল মাত্র ৫২ রান।

লোয়ার অর্ডারে নামা তাসকিন আহমেদও কার্যকর সঙ্গ দিয়েছেন—শেষ বল পর্যন্ত খেলে ১৬ বলেই করেছেন ২০ রান। তাদের কঠিন শেষে টপ-অর্ডার ও লোয়ার-অর্ডারের এই দৃঢ়তায় টাইগাররা শেষ করেছে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নাথান এলিস তিনটি উইকেট শিকার করেছেন; এছাড়া ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট দুজন করে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন এবং ব্রাটলেট একটি উইকেট নেন।

মোসাদ্দেকের এই ইনিংস টাইগারদের জন্য আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে; এখন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং মোকাবেলায় এই সংগ্রহ কতটা যথেষ্ট হবে, সেটাই নজর কাড়বে ম্যাচের পরবর্তী পর্যায়ে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo