খুলনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের মালখানায় রক্ষিত আলামতসমূহের প্রকাশ্য নিলাম আগামী ২৩ মে ২০২৬ বিকাল সাড়ে তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে। নিলামটি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, খুলনা প্রাঙ্গণে (অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এজলাস কক্ষে) নিলাম কমিটি উপস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
নিলামে বিক্রয়যোগ্য আলামতসমূহের বর্ণনা —
সিএমআর-৭৭৪৩/২৬ (মালখানা), দাকোপ থানার মামলা নং-০৫, ধারা ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, জিআর-১০/২৬: তিনটি ছোট তেল রাখার ক্যান-এ মোট ১০৮ লিটার ডিজেল।
সিএমআর-৭৭৪৯/২৬ (মালখানা), দাকোপ থানার মামলা নং-০৪, ধারা ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, জিআর-০৯/২৬: তিনটি ব্যারেল ও দুইটি কন্টেইনারে মোট ৬৪৩ লিটার ডিজেল এবং একটি ছোট ড্রামে ২৪ লিটার মোটর তেল (মোবিল)।
নিলাম অংশগ্রহণ ও শর্তাবলী —
– নিলামে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহীরা নিলাম শুরুর আগে মালখানায় ২০ টাকা দেবেন (অফেরতযোগ্য) রেজিস্ট্রেশন ফি হিসাবে।
– নিলামে অংশগ্রহণের পূর্বে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর নিকট থেকে ১০,০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য) জামানত ইনচার্জ, মালখানার কাছে জমা দিতে হবে; জামানত না দিলে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
– সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যসহ প্রযোজ্য ভ্যাট ও আয়কর বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে চালান করে অর্থ জমা দিতে হবে। চালান, ভ্যাট ও আয়করের মূল কপি দাখিল সাপেক্ষে বিক্রিত মালের মালিকানা ও দখল হস্তান্তর করা হবে।
– আদালতের কোন কর্মচারী নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
– নিলামকারী কর্তৃপক্ষ অনিবার্য কারণে নিলাম বাতিল বা স্থগিত করার ক্ষমতা রাখে; নিলাম সংক্রান্ত কোনো ভিন্নতর আদেশ/বিজ্ঞপ্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিজ্ঞপ্তি বলবৎ থাকবে।
– নিলাম চলাকালে কোন রকম বিশৃঙ্খলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
– অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত থাকবেন; প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স সাথে আনতে হবে।
– অংশগ্রহণকারীদের নিলাম শুরুর আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, রেজিস্ট্রেশন ফি ও জামানত মালখানার ইনচার্জের নিকট জমা দিতে হবে; অন্যথায় অংশগ্রহণ অনুমোদিত হবে না।
– আলামত প্রদর্শন (ভিউয়িং) হবে ২১ মে ২০২৬, দুপুর ২টায়। প্রয়োজনে যোগাযোগ: ০১৩২০-১৪০৪৩১।
নিলামক্রেতার দায়-দায়িত্ব —
নিলামপত্রে ক্রেতা নির্ধারিত হলে তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিলামে বিক্রিত অর্থ জেলা কোর্ট/মালখানায় জমা প্রদানের নির্দেশ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ জমা না করলে ক্রেতার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতার নিকট মালামাল হস্তান্তর করা হবে।
এই নিলাম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে খুলনা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নিলাম বিক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি মোঃ ফারুক আযম স্বাক্ষরিত নথিতে এই সব তথ্য জানানো হয়েছে।