1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জামালপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, প্রধান আসামি সাদিক খালাস সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু; গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে: নুর নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা

কেসিসির তেল চোর চক্র ধরতে তিন দফায় তদন্ত কমিটি গঠন

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) তেল চোর চক্রের ঘটনার তদন্ত করতে তিন দফায় কমিটি গঠন করেছে। কেসিসি প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা সাক্ষরিত অফিস আদেশে সর্বশেষ ৪ মে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আদেশে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ আনিসুজ্জামানকে। অন্য দুই সদস্য হলেন কনজারভেন্সি অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান ও উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ সেলিমুল আজাদ।

ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৯ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। খালিশপুর বি-অঞ্চলের এসটিএস সুপারভাইজার নুরুজ্জামান সুমন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ফোন করে জানায় যে, খালিশপুর নিউমার্কেটের এসটিএস এর এলাকায় এক ব্যাকহুইল লোডারের জ্বালানি ট্যাংকের মুখ খুলে তেল চুরি হচ্ছে। প্রশাসকের নির্দেশনায় সেখানে গেলে একটি তেলের ক্যান এবং কয়েক লিটার তেল জব্দ করা হয় এবং ওই ব্যাকহুইল লোডারের চালক এনায়েত হোসেন বাবলুকে গাড়ি চালানো থেকে বিরত রাখা হয়। ঘটনার প্রাথমিক দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগ পেয়ে তদন্ত সাপেক্ষে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন।

তবে তদন্ত শুরু থেকেই সদস্য জাতীয় পরিবর্তন দেখা দেয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রথমে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে আপত্তি উঠায় প্রশাসকের নির্দেশে তিনি কমিটি থেকে সরিয়ে নতুন করে গঠন করা হয়। বাদ দেওয়া সদস্য ছিলেন কেসিসি এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন; তাঁর স্থলে নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ আনিসুজ্জামানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পরে পুনরায় গঠিত দ্বিতীয় দফার কমিটিতে আহবায়ক করা হয় মোঃ আনিসুজ্জামানকে। ওই সময়ে কমিটির এক সদস্য, কনজারজেন্সি অফিসার মোঃ অহেদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করলে তদন্ত চলাকালীন আবারও তৃতীয় দফায় কমিটি গঠন করা হয়।

এই ঘটনায় আগে থেকেই ইতিহাসও আছে। সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের সময়ে কেসিসি কর্তৃপক্ষ দুই ড্রাম চোরাই তেলসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছিল; সেই ঘটনার তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল কিন্তু এখনও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি। স্থানীয় চালক ও কর্মচারীরা আশা করছেন, পুরনো তদন্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখলে কিংবা নতুন তদন্তে সর্তকভাবে যাচাই-বাছাই করলে তেল চুরির সম্ভাব্য চক্রের পরিচয় উঠে আসবে।

নতুন গঠিত কমিটির সদস্য কনজারভেন্সি অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান প্রথমে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “আমি এ ঘটনার বাদী। আমাকে কীভাবে ও কোন নিয়মে কমিটির সদস্য করা হলো—এটার ব্যাখ্যা চাই।” কেসিসি প্রশাসন কমিটির পুনর্গঠন এবং তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo