1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

২০২৫ সালে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

জাতিসংঘের সমর্থিত ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’–এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটে থাকা মানুষের দুই-তৃতীয়াংশ মাত্র ১০টি দেশে concentrated—তার মধ্যে বাংলাদেশের নামও আছে। শুক্রবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে এই তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের বড় অংশ আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনে অবস্থান করছিল। এর মধ্যে শুধুমাত্র সুদান, নাইজেরিয়া ও কঙ্গো—এই তিন দেশেই মোট আক্রান্ত মানুষের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে ২০২৫ সালে বিশ্বে প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে, যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিশ্লেষকরা বলছেন চলমান সংঘাত ও চরম জলবায়ু ঘটনার কারণে খাদ্য সঙ্কটও এতটাও জটিল ও বিস্তৃত হয়েছে।

প্রতিবেদন সতর্ক করে যে ২০২৬ সালে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির সম্ভাবনা সীমিত; অনেক দেশে সংকট আরও গভীর হতে পারে। চলমান যুদ্ধ, অস্থিতিশীলতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘœত ছাড়াও আন্তর্জাতিক অনুদান কমে যাওয়ার আশঙ্কা সমস্যা বাড়াচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, কিছু দেশে—যেমন বাংলাদেশ ও সিরিয়ায়—কিছু প্রগতি লক্ষ্য করা গেলেও আফগানিস্তান, কঙ্গো ও মিয়ানমারে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায়তার সংকোচন অনেক দুর্বল জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের প্রধান আলভারো লারিও সংবাদমাধ্যমে বলেন, রোপণের মৌসুমে জ্বালানি ও সারের দাম বাড়লে খাদ্য উৎপাদন সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদন বাড়ানো, মাটির উর্বরতা উন্নত করা এবং জলবায়ু সহনশীল ফসলের দিকে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

সংক্ষিপ্তভাবে, প্রতিবেদনটি সতর্ক করছে যে সংঘাত ও জলবায়ু ঝুঁকি কমিয়ে আনতে ও স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে দ্রুত ও সমন্বিত সহায়তা প্রয়োজন।

সূত্র: এএফপি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo