1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
শিগগিরই মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পয়লা বৈশাখে শুরু ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ — কে পাবেন, কী সুবিধা? মাদক নির্মূলের জন্য শিগগিরই বিশেষ অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু — কে পাবেন, কীভাবে নিবন্ধন করবেন বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগগ্রহণ করলেন রাষ্ট্রপতি শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল, ওএসডি হলেন মাউশি মহাপরিচালক দেশে প্রথমবার ‘নুসুক কার্ড’ বিতরণের উদ্যোগ, হজ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত ঢাকাসের দিল্লিকে সতর্কতা: শেখ হাসিনার বিষয়টি নজরে রাখার আহ্বান মানবাধিকার অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে ভুল তথ্য উপস্থাপনা বাজেটে মোবাইল শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে: তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা

দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় উপশিল্পে চিংড়ি ও মাছের রোগ মোকাবেলায় বড় চ্যালেঞ্জ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘Harnessing the Potential of Phytobiotics by Metagenomics and Immunogenomics approaches for Green Solutions of Aquaculture Pathogens in the Southwest Coastal Bangladesh’ শীর্ষক হিট সাব প্রকল্পের ইনসেপশন কর্মশালা। সোমবার সকালে নগরীর কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলনকক্ষে এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. রেজাউল করিম, যাঁর বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি ও মাছের বিভিন্ন রোগ সম্প্রতি বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ খাতের জন্য। এ পরিস্থিতির মোকাবেলায় ফাইটোবায়োটিকস, মেটাজেনোমিকস এবং ইমিউনোজেনোমিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই ও পরিবেশবন্ধু সমাধান বের করার ব্যাপারে দৃষ্টি দিতে হবে বলে তিনি জোর দেন। এতে করে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা সম্ভব হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান, যিনি বলেন, দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এখানকার শিক্ষকরা নিয়মিত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন। এই প্রকল্পের গবেষণাগুলো ফলপ্রসূ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের একোয়াকালচারের ব্যাপক চাহিদাকে সামনে রেখে গবেষণার ফলাফল আমাদের গর্বের বিষয় হবে। প্রকল্পের ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা নিয়ম কানুন মেনে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনর রশীদ খান, जिन्होंने বলেন, দেশের গবেষণা ক্ষেত্রে কৃষি ও মৎস্য খাতে অনেক সফলতা এসেছে। তবে এক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ব্যবহারে মানবস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এই গবেষণার মাধ্যমে প্রকৃতি-সন্মত সমাধান গড়ে উঠলে দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে এটি গুরুত্ব রাখবে। ডঃ শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের উপ পরিচালক বিপুল কুমার বসাক। প্রজেক্টের ফ্রেমওয়ার্ক ও কাজের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এএসপিএম প্রফেসর ড. গোলাম সরোয়ার, এবং স্বাগত বক্তব্য দেন প্রজেক্টের আরআরপি প্রফেসর ড. শিকদার সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান ও নবনিতা রায়। উদ্বোধনী পরবর্তী ধাপে মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্টের সদস্য প্রফেসর ড. সমীর কুমার সাধু এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রজেক্টের এএসপিএম প্রফেসর ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ। এতে অংশগ্রহণ করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo