1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

চৈত্র সংক্রান্তিতে খুবিতে ঘুড়ি উৎসব, শিক্ষার্থীদের প্রাণখোলা আনন্দ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ দিন চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে রবিবার সন্ধ্যায় বর্ণিল এক ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের মিলিত উপস্থিতিতে মাঠটি পালিত জমাট আবহাওয়ায় আনন্দে ভরে ওঠে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, চৈত্র সংক্রান্তিতে খুবির ঘুড়ি উৎসব একটি প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। তিনি افزودেন, এমন আয়োজন শুধুই বিনোদন নয় — এটি আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের একটি মাধ্যম এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে জোরদার করে।

অনুষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাতসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালকবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উৎসবে অংশগ্রহণ করেন।

ঘুড়ি উৎসবে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। রঙিন কাগজ ও সুতোয় তৈরি নানা আকৃতির ঘুড়ি আকাশে ছড়িয়েছে—প্রজাপতি, সাপ, চিল, ঈগল ও মাছের আকৃতির ঘুড়িগুলো বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হয়েছিল। ধীরে ধীরে হাওয়া বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ জুড়ে নানা রঙের ছোঁয়া দিয়ে উঠল যেন নতুন বছরের সুরুচি। দর্শকরা হেসে-খেলে, ছবি তুলে এবং একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দিনটি উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকা কমিটি জানায়, এমন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যবহির্ভূত জীবনকে সমৃদ্ধ করে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে। শেষমেশ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মিলিত অংশগ্রহণে এই ঘুড়ি উৎসব চৈত্র সংক্রান্তির ঐতিহ্য ধরে রেখে নতুন বাংলা বছরের আগমনকে উৎসবমুখরভাবে স্বাগত জানিয়েছেন সকল উপস্থিতি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo