1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

ডব্লিউটিসিতে বাড়ছে দল, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যুক্ত হতে পারে এক-ম্যাচ টেস্ট

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) প্রসার ও কাঠামো পরিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপুর্ণ প্রস্তাব বিবেচনা করছে। আলোচনা চলছে দলের সংখ্যা বৃদ্ধি করে ১২ করা এবং এক-ম্যাচের টেস্ট (ওয়ান-অফ টেস্ট)কে ডব্লিউটিসির পয়েন্ট কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে।

এই অগ্রগতি নিয়ে কাজ করছে আইসিসির একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার রজার টউস। গ্রুপের সুপারিশগুলো চলতি মাসের শেষে বা মে মাসের শুরুতে বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।

আইসিসি দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক সূচি জটিলতা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রভাব সামলাতে কৌশল খুঁজছে। পূর্বে দুই স্তরের (টু-ডিভিশন) মডেল প্রস্তাব করা হলেও কিছু পূর্ণ সদস্য দেশের আপত্তিতে তা শেষ পর্যন্ত কার্যকর করা হয়নি। বর্তমান প্রস্তাব মূলত ওই সুচি এবং প্রতিযোগিতার ভারসাম্য পুনর্বিবেচনার অংশ।

নতুন পরিকল্পনায় ডব্লিউটিসিতে যোগের সম্ভাব্য দলের তালিকায় রয়েছে জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড। ডব্লিউটিসি ২০১৯ সালে চালু হওয়ার সময় এই তিন দলকে প্রথম দলে রাখা হয়নি, ফলে তারা নিয়মিত টেস্ট খেললেও বড় দলের বিপক্ষে সুযোগ সীমিত ছিল।

এখনকার নিয়ম অনুযায়ী কোনো সিরিজে অন্তত দুইটি টেস্ট থাকা বাধ্যতামূলক, কিন্তু অনেক বড় বোর্ডের কাছে ছোট দলের সঙ্গে দুই ম্যাচের সিরিজ দেওয়া আর্থিকভাবে অল্প লাভজনক হতে পারে। তাই দীর্ঘ সফর ও সূচি জটিলতা কমাতে এক-ম্যাচের টেস্টের ধারণা উঠে এসেছে—যাকে পয়েন্ট দেওয়ার যোগ্য করা হলে ছোট দলগুলোর সঙ্গে ম্যাচ আয়োজন সহজ হবে।

এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে, উদাহরণস্বরূপ, কোনো দল যদি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যায় তবে সফরে যাওয়ার পথে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে একটি ওয়ান-অফ টেস্ট খেলা যেতে পারে। আবার ব্যস্ত গ্রীষ্মকালীন সূচির মধ্যে ইংল্যান্ডের মতো দেশও এমন একটি একক টেস্ট সামঞ্জস্য করতে পারবে। এর ফলে ছোট দেশগুলোও বড় দলের বিপক্ষে নিয়মিতভাবে খেলার সুযোগ পাবে।

তবে বাস্তবায়নের আগে দুটো বড় বিষয় যাচাই করতে হবে—ওয়ান-অফ টেস্টকে ডব্লিউটিসির অংশ হিসেবে স্বীকৃত করা উচিত কি না এবং নতুন তিন দলের জন্য পরবর্তী দুই বছরে অতিরিক্ত টেস্ট খেলা আর্থিকভাবে টেকসই হবে কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

অন্য দিকে, আইসিসির পরবর্তী বোর্ড সভা নিয়ে অনিশ্চয়তা বজায় আছে। পশ্চিম এশিয়ার সংকটের কারণে পূর্ববর্তী বৈঠক স্থগিত হয়েছিল; এবার সরাসরি বৈঠক করার পরিকল্পনা থাকলেও তার সময় ও স্থল এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে গ্রুপের সুপারিশ বোর্ডের অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

সংক্ষেপে, ডব্লিউটিসিতে দল বাড়ানো ও ওয়ান-অফ টেস্ট অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব ক্রিকেটের সূচি ও প্রতিযোগিতাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্য রাখে—তবে তা কবে ও কীভাবে বাস্তব হবে তা এখনই নিশ্চিত নয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo