1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

৪ ওভারে ৭ রানে নাহিদ রানা ৩ উইকেট, শরিফুলের ১ — পেশাওয়ার দাপটপূর্ণ জয়

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

পিএসএল ম্যাচে করাচি কিংসকে ১৫৯ রানে হারিয়ে দারুণ জয় পেয়েছে পেশাওয়ার জালমি। নিজেদের করা ২৪৬ রানের জবাবে কিংস মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায়।

নাহিদ রানা ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কার্যকর বোলিং করে — চার ওভারে মাত্র ৭ রানে ৩টি উইকেট তার হাত ধরে। মোট ২৪ বলের মধ্যে ২০টি ডট বল করে তিনি বিরাট চাপ সৃষ্টি করেন। অফ-বোলিংয়ে পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ইফতিখার আহমেদও দুর্দান্ত ছিলেন, তিন উইকেট নিয়ে মাত্র ৯ রান খরচ করেন।

শরিফুল ইসলামও সুফল বয়ে আনেন। তিন ওভারে ২৩ রান খরচ করে তিনি ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট নেন; তিনটি ওভারই তিনি পাওয়ার প্লেতে বল করেন। প্রথম ওভারে ইফতিখার মুহাম্মাদ ওয়াসিমকে আউট করেন। পরের ওভারের প্রথম বলে শরিফুল ওয়ার্নারকে বিকৃত ব্যাক অফ লেংথ ডেলিভারিতে বোল্ড করান না হলেও ফারহান ইউসুফ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে দৌড়ে এসে দুর্দান্ত ডাইভ কেচ নিয়ে তাকে বিদায় করান। এমনকি ম্যাচের আগে লস অ্যাঙ্গেলেসে আরোপিত ঘটনার পর বিশ্ব ক্রিকেটে দেখা ওয়ার্নারের এই ইনিংস তার জন্য হতাশাজনক আবির্ভাব হয়ে রইল।

ব্যাট হাতে কুসাল মেন্ডিস ছিলেন ম্যাচ সেরা—৫২ বল খেলতে ১৪ চার ও চার ছকের সাহায্যে ১০৯ রান করেন তিনি। অধিনায়ক বাবর আজম ইনিংসের অনেকাংশই ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক; ৫১ বলে অপরাজিত ৮৭ রান করেন তিনি।

ম্যাচের প্রথম অংশে পেসারদের কমানো-চাপটি স্পষ্ট ছিল। শরিফুলের প্রথম ওভার মাত্র ৪ রান, দ্বিতীয় ওভারে পেয়েছিলেন ১১ রান। পঞ্চম ওভারেই নাহিদ বল করতে এসে আজম খানের সঙ্গে কড়া লড়াইয়ে যুক্ত হন; ওই ওভার থেকে মাত্র এক রান আসে। সাত নম্বরে নাহিদের দ্বিতীয় ওভারে তিনি সাদ বেগকে শর্ট বল পুল করতে গিয়ে ওপরে তুলে দেন এবং নিজেই কুশদিলের মতো বলের ক্যাচ নিয়ে উইকেট পান; সেই ওভারে মইন আলি শেষ বলে চার মারেন ও ওভার হয়ে আসে মোট ৬ রানে।

গেমের ১৪তম ওভারে নাহিদকে আবার বোলিংয়ে ফিরিয়ে আনলে তিনি কোনো রান না দিয়ে খুশদিল শাহ ও অ্যাডাম জ্যাম্পারকে পতিত করেন — শর্ট বলে খুশদিল কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়ে এবং জ্যাম্পা বোল্ড হন। নিজের কোটার শেষ ওভারে নাহিদ কেবল এক রান দেন। ম্যাচের আগে ঢাকার প্রথম অভিষেকে তিনি হায়দরাবাদ কিংসম্যান্সের বিপক্ষে ৩ ওভারে ৩০ রান খরচ করে উইকেটশূন্য ছিলেন; এবার তিনি সেটা পূরণ করে দলের জন্য বড় অবদান রেখেছেন।

অন্যদিকে শরিফুলের জন্যও এই ম্যাচ সন্তোষজনক—আগের দুই ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকলেও এবার পাওয়ার প্লে ব্যবহারে আরেক পেসারের চোখে পড়ার মতো পারফরম্যান্স দেখান।

শেষ পর্যন্ত সীমিত ব্যাটিং ও ধারাবাহিক উইকেটের কারণে করাচি কিংসের ইনিংস দ্রুত ভেঙে পড়ে এবং পেশাওয়ার বিপুল রান ব্যবধানে জয়ের হাসি ফিরে পায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo