ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ধাপে ধাপে হামলা চালানো হয়েছে।
শনিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরির বরাতে এই দাবি জানায়। তিনি জানিয়েছেন, আল-ধাফরা (সংযুক্ত আরব আমিরাত), আল-আদিরি (কুয়েত) এবং শেখ ঈসা (বাহরাইন) ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ‘পরপর কয়েক দফায়’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
অ্যাডমিরাল তাংসিরি বলেন, আল-ধাফরা ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট রাডার সিস্টেম, একটি নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার ও বিমান বিধ্বংসী স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানে এবং সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। পাশাপাশি শেখ ঈসা ঘাঁটিও বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে বিস্তৃত হামলায় সরঞ্জাম গুদাম ও হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং প্যাডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন দাবি করা হয়েছে।
তবে এই সব ঘটনার বিষয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং ক্ষয়ক্ষতির স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্যও জানানো হয়নি।
পটভূমি হিসেবে জানিয়েছে, আগে খার্গ দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার পর আইআরজিসি ঘোষণা দিয়েছে যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা সকল গোপন মার্কিন আস্তানাকে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার হিসেবে যে সব মার্কিন শত্রু আশ্রয় নিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎসস্থল, ব্যবহারকৃত বন্দর ও ডক এবং সৈন্যদের আস্তানাগুলোকে লক্ষ্য করা হবে।
সূত্র: আলজাজিরা