1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
রেলমন্ত্রী: ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ট্রেনে প্রায় ৪২ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হবে অস্ত্রোপচারের পর আইসিইউতে মির্জা আব্বাস মির্জা আব্বাসকে আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা ত্রয়োদশ সংসদ: অধিবেশন রোববার সকাল পর্যন্ত মুলতবি

কেসি-১৩৫ বিধ্বস্তে সব ছয় ক্রুর মৃত্যু নিশ্চিত; ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তে ইসরায়েলে সতর্কতা

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়া কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানের ছয়টি ক্রু সদস্যের সবার মৃত্যুও নিশ্চিত হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে সেনাবাহিনী চার ক্রুর মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল এবং দুইজনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু উদ্ধারকাজের পর তারা ও জীবিত উদ্ধার করা যায়নি বলে সেন্টকম জানায়।

পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে যুদ্ধের ভয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, “যুদ্ধ মানেই নরক। যুদ্ধ মানেই বিশৃঙ্খলা।” তিনি নিহত সৈন্যদের ‘আমেরিকান হিরো’ বলেন এবং ডোভারে তাদের অভিবাদনের কথা উল্লেখ করেন, পাশাপাশি তাদের আত্মত্যাগকে চলমান মিশনে শক্তি যোগাবে বলেও তোরণ করেছেন।

সেন্টকম জানায়, কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমানটি মাঝা-আকাশে অন্য একটি বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয়। সংঘর্ষের অপর বিমানটি ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে—বিমানটির লেজের অংশের কিছু অংশ নিখোঁজ রয়েছে। সেন্টকম দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে।

একই দিনে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে। সামরিক সূত্রে বলা হয়েছে, সতর্কবার্তা হাতে লাগার সঙ্গে সঙ্গেই নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আঘাতের ফলে একদিন ইরানের জনগণ তাদের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে উঠে দাঁড়াতে পারে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গেই ঘটবে না। ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আগামী সপ্তাহে আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি।” তিনি একই সঙ্গে স্বীকার করেছেন যে এখন পর্যন্ত ইরানিসদের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রতিবাদের লক্ষণ দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন ট্রাম্প প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক সফলতার মাধ্যমে ঘরোয়া জনমতকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে। দোহায় অবস্থিত ডোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেছেন, ট্রাম্প ও হেগসেথ জনগণকে যুদ্ধের সাফল্য নিয়ে নিশ্চিন্ত করতে চাইছেন। এলমাসরি বলেন, হেগসেথ প্রায়ই ইরানের সামরিক সক্ষমতা নস্যাৎ করার বড়াই করেছেন, যা বাস্তবে ইরানি বাহিনীকে অবমূল্যায়ন করে এবং এটি আমেরিকান প্রোপাগান্ডার অংশ হতে পারে।

এতে উত্থিত উদ্বেগগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়া। সাম্প্রতিক সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১,৩০০’রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে—এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি এবং সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য তীব্রতা অঞ্চলটিকে আরও অস্থির করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন, আল-জাজিরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo