1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু

ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছেলেকে গুলিতে নিহত হওয়ার দায় সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ওপর চাপিয়েছেন শহীদ আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে সাক্ষ্য প্রদানের সময় এ অভিযোগ করেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে। ഇന്ന് এই মামলার তৃতীয় দিনের শুনানিতে আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে হাজির ছিলেন।

৬৫ বছর বয়সী আল আমিন একজন অবসরেরত মাদরাসা শিক্ষক। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল ছয়টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ছেলের কথা বলতে গিয়ে আল আমিন several বার কাঁদতে গিয়ে চোখভরা কণার স্যাঁতসেঁতে ব্যথা প্রকাশ করেছেন।

জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্ট বিকেল পাঁচটার পর ছেলের মোবাইল বন্ধ পেয়ে খোঁজাখুঁজির শুরু করি। লোকমুখে শুনি আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। সেখানে গিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ দেখি; সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সেই ধরনে তিনি নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন এবং সঙ্গে থাকা ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহর সঙ্গে মিলে ছেলেটিকে বাসায় নিয়ে আসেন।

আল আমিন বলেন, হাসপাতালে নিহতদের রক্তাক্ত দেহ দেখে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিহতের মৃত্যুসনদ সংগ্রহের পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় আনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে তাকে লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আল আমিন আরও বলেন, তার ছেলে হত্যার জন্য তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ কিছু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের দায়ী করছেন। সাক্ষীর দাবি, ওই ব্যক্তিরা বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমনের সিদ্ধান্ত নেন এবং তৎপরতায় সাধারণ ছাত্র-জনতা ও আন্দোলনকারীদের ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয় — এ কারণেই তিনি তাদেরকে দায়ী করছেন।

আল আমিন পরামর্শ দেন, তার ছেলেকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার হওয়া প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে এমন নির্মম ঘটনা আর যেন না ঘটে সে ধরনের শান্তি চাইতে চান।

সাক্ষ্যগ্রহণের পর আল আমিনকে কোর্টে জেরা করেন অভিযুক্তদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। আগামী ৫ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন গাজী এমএইচ তামিম; তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদার ও অন্যান্য সহকারী প্রোসিকিউটর।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo