1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বাংলাদেশের উইকেটে হতাশ পাকিস্তান: ‘সহযোগী দেশ হয়ে যাই কি না’—মোহাম্মদ আমির

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শিরোনামে এসেছে টাইগাররা। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের মারমুখী বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয় সফরকারী দল; পরে লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ম্যাচটি জিতে নেয়।

এই ফল ও মাঠের উইকেট নিয়ে তীব্র বিশ্লেষণ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমির। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা মন্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমনভাবে উইকেট তৈরি করেছে যা পাকিস্তানকে ‘‘সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে’’ আটকে দিয়েছে। যেখানে সবাই টার্নিং উইকেটের আশা করছিল, ওখানে দেশের প্রতিপক্ষকে গতির উইকেটের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে বাংলাদেশ।

আমির আরও বলেন, ‘‘মিরপুরে সবাই ভাবছিল স্পিন উইকেট হবে, কিন্তু তারা বাউন্সি, গতিসম্পন্ন উইকেট বানিয়ে আমাদের চমকে দিলো। এটা একদম ‘আউট অব সিলেবাস’। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০-ক্লাবের পেসে সমস্যায় পড়ে। নাহিদ ও মেহেদীর বোলিং অসাধারণ ছিল—বিশেষ করে নাহিদ ১৪০ এর বেশি গতিতে বল করেছেন।’’

তিনি পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের প্রস্তুতি ও টেকনিকে গুণতর ত্রুটি দেখেন। অনুশীলনের ঘাটতি ও নির্বাচকদের সিদ্ধান্তও আমিরের সমালোচনার লক্ষ্য। ‘‘উপর থেকে বল পড়লে খেলার অনুশীলন প্রয়োজন—এটা পাওয়ার হিটিং বা ডিফেন্স নয়। আসল পেসের বিপক্ষে খেলতে পারার ক্ষমতা থাকতে হবে। মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেনদের মতো তরুণদের টেকনিক এখনও উন্নত নয়; তারা মিড-উইকেটে খেলতে চাইলে অফ স্টাম্পের বল বুঝতে পারেন না,’’ তিনি বলেন।

পাকিস্তান দলের ভারসাম্য নিয়ে মুখেই चिंता প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘‘৫-৬ জন সিনিয়রকে বাদ দিয়ে শুধু তরুণদের নিয়ে দলে চলবে না। সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে ভারসাম্য থাকা জরুরি। আমার ভয় হচ্ছে, আমরা যদি এভাবে চলি তাহলে শেষ পর্যন্ত সহযোগী দেশের পর্যায়ে নেমে যেতে পারি।’’ তিনি বলেন যে কিছু সক্ষম পারফর্মার—কামরান গুলাম ও ইরফান খান নিয়াজির মতো—প্রয়োজনীয় সুযোগ পাচ্ছেন না।

বাংলাদেশের ব্যাটিং ও পেস আক্রমণের প্রশংসা করে আমির যোগ করেন, ‘‘তারা আমাদের ‘দুমবার’ মতো মেরেছে, যেন খেলতে নিজেদের অনেক মজা লাগছিল। যে উইকেটে আমরা ১১৪ রানে অলআউট হয়েছি, সেই উইকেটেই তারা ১০–১২ ওভারের মধ্যেই রান তাড়া করে ফেলল। আমি বলছি—বাংলাদেশ কোনো স্পিন ট্র্যাক দেবে না, তারা এমন উইকেট দেবে যেখানে তাদের তিনজন ফাস্ট বোলার—বিশেষ করে নাহিদ রানা—খুব শক্তিশালী।”

আমিরের মন্তব্যগুলো পাকিস্তান দলের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে—টিম ম্যানেজমেন্ট, অনুশীলন ও প্লেয়ার সিলেকশন নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতেই হবে, নাহলে সিরিজ এবং ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে আরওই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo