1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি, আঘাত এলেই পাল্টা আঘাত

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘যদি আমাদের প্রার্থীসহ দলের কেউ আঘাতের শিকার হয়, তাহলে এখন থেকে পাল্টা আঘাত আসবে।’ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকার ফকিরাপুলে দলের স্থানীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আজ হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন, সেখানে তার ওপর বাধা দেওয়া হয় এবং ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। তিনি আরও জানান, গতকাল ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপরও বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি হামলা হয়, তাহলে পাল্টা আঘাত দেওয়া হবে। একটি দলের প্রার্থীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করলে অন্য দলের প্রার্থীরাও রেহাই পাবে না। আমরা এই ধরনের পরিবেশ চাই না। তবে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ যদি নীরব থাকে, তাহলে আমাদের করণীয় যা-ই হোক, করবই।’

তিনি আরও জানান, দেশে কয়েক দিনেই ছয়-সাতটি জেলায় ১১ দলের শরিক জামায়াতে ইসলামীর নারীকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের নীরবতার সুযোগে একটি বিশেষ দল ও জোট আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সুবিধা নিচ্ছে, যা নির্বাচন ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।’

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারা যদি আওয়ামী লীগের মতো সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে সরাতে চায়, তাহলে তাদের পার্থক্য কী? তারা ভোটের সময় জয় বাংলা স্লোগান দেয়, কিন্তু মনে রাখতে হবে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে জনগণ কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না।’

বিএনপির ২০১৮ সালের নির্বাচন ও ২৮ অক্টোবরের আন্দোলনের ব্যর্থতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তখন আপনি মাঠে উঠতে পারেননি, তিন মিনিটও দাঁড়াতে পারেননি। আমরা তখন আপনার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আপনি সমালোচনাও সহ্য করতে পারছেন না। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আপনি বেয়াদব বলছেন, তবে ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণই ব্যালটের মাধ্যমে ঠিক করে দেবে— কে বেয়াদব আর কে গ্যাংস্টার।’

সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, তিনি ও তার দল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে প্রচারণা চালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে গিয়ে দেখে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং ইট-পাটকেল ও ডিম ছোড়া হয়।

তিনি বলেন, ‘পুলিশের সামনেই আমাদের ভাইদের ওপর উপর্যুপরি কিল, ঘুষি ও লাথি মারা হয়েছে। আমাদের নারী সদস্যদের ওপর বরফ নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার ফলে একজনের মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়েছে।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই হামলার জন্য মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মির্জা আব্বাসের ভাগনে আদিত্যের নাম উল্লেখ করেন। এছাড়া, হামলায় হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুদ, সাবেক সদস্য শাহিন উদ্দিন মল্লিক এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফকে সরাসরি নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, ‘মির্জা আব্বাস তার ভাগনে আদিত্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে এনে আমাদের ওপর এই হামলা চালিয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে এর বিচার চাই।’

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘ইসি একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করছে এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না দিয়ে প্রার্থীকে খালি মাঠে ছেড়ে দিয়েছে। ভোটের আগে ৫০ জন ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিককে প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo