1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

যশোরে ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্ত প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দেন।

যশোর-১ (শার্শা): এখানে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল লাঙ্গল, বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): এ আসনে মোট ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দীন ফরিদ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী হাতপাখা, বাসদের ইমরান খান মই, বিএনএফের শামসুল হক টেলিভিশন এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ ঈগল প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম ঘোড়া ও মেহেদী হাসান ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। যদিও জহুরুল ইসলাম এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কথায় তিনি প্রত্যাহারের কাগজপত্র জমা দেননি।

যশোর-৩ (সদর): এখানে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ধানের শীষ নিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন হাতপাখা, জামায়াতের আব্দুল কাদের দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির খবির গাজী লাঙ্গল, জাগপার নিজামুদ্দিন অমিত চশমা এবং সিপিবি’র রাশেদ খান কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর): এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র এম. নাজিম উদ্দীন-আল-আজাদ মোটরসাইকেল, ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন হাতপাখা, বিএনপির মতিয়র রহমান ফারাজি ধানের শীষ, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল ঘড়ি, জামায়াতের গোলাম রসুল দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক লাঙ্গল এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল রকেট প্রতীক নিয়েছেন।

যশোর-৫ (মণিরামপুর): এখানে পাঁচজন প্রার্থী লড়ছেন। জাতীয় পার্টির এম এ হালিম লাঙ্গল, জামায়াতের গাজী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন হাতপাখা, বিএনপির রশীদ আহমদ ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন কলস প্রতীক পেয়েছেন।

যশোর-৬ (কেশবপুর): এই আসনেও পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির জিএম হাসান লাঙ্গল, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ঈগল, জামায়াতের মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক রাখছেন।

প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুক হক সাবু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্ষার পর বাংলাদেশে ভোট ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ফিরে আসবে এবং বিএনপির প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হবে।

অন্যদিকে বিভিন্ন প্রার্থীর অভিযোগও উঠেছে। সিপিবি প্রার্থী রাশেদ খান জানান, নির্দিষ্ট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধ থাকা সত্ত্বেও এখনও কিছু দলের পোস্টার-ফেস্টুন যানবাহনে দেখা যাচ্ছে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় ব্যানার আছে; তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের আর্জি করেন। যশোর-২-এর বাসদের প্রার্থী ইমরান খান বলেন, রাতের ভোট, ডামি ভোট ও ভোট কেড়ে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার জন্য প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন; বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র ও টাকার উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, যশোরের ছয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৩৫ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে যশোরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিবও উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo